হাওড়ায় প্রশাসনিক বৈঠক সেরে এবার শিল্পনগরী দুর্গাপুরে পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) । প্রশাসনিক তৎপরতার ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই এ দিন দুর্গাপুরের সৃজনী প্রেক্ষাগৃহে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেন তিনি। সেখানে পৌঁছনোর পর তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘গার্ড অফ অনার’ প্রদান করা হয়। প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিক এবং নিরাপত্তা কর্মীদের উপস্থিতিতে এই সম্মান প্রদর্শন করা হয়, যা ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে যথেষ্ট চর্চা শুরু হয়েছে।
দুর্গাপুরে শুভেন্দু অধিকারীর(Suvendu Adhikari) এই সফরকে ঘিরে সকাল থেকেই প্রশাসনিক স্তরে বিশেষ প্রস্তুতি লক্ষ্য করা যায়। সৃজনী প্রেক্ষাগৃহ চত্বরকে ঘিরে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। পুলিশ ও প্রশাসনের একাধিক আধিকারিক আগেভাগেই বৈঠকের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেন। বৈঠকে জেলার বিভিন্ন প্রশাসনিক বিভাগের আধিকারিকদের উপস্থিত থাকার কথা ছিল বলে জানা গেছে।
সূত্রের খবর, এই বৈঠকে জেলার (Suvendu Adhikari) উন্নয়নমূলক কাজ, প্রশাসনিক পরিকাঠামো, নাগরিক পরিষেবা এবং শিল্পাঞ্চল সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চল হওয়ায় কর্মসংস্থান, রাস্তা সংস্কার, পানীয় জল, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং শহর এলাকার নাগরিক সুবিধা নিয়েও বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।
শুভেন্দু অধিকারী বৈঠকে প্রশাসনিক কাজের গতি বাড়ানো এবং সাধারণ মানুষের সমস্যা দ্রুত সমাধানের ওপর জোর দেন বলে জানা গেছে। বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের বাস্তবায়ন কতদূর এগিয়েছে, সেই বিষয়েও তিনি আধিকারিকদের কাছ থেকে রিপোর্ট নেন। বিশেষ করে শিল্পাঞ্চল এলাকায় পরিকাঠামোগত উন্নয়ন এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের দাবি।
এ দিন সৃজনী(Suvendu Adhikari) প্রেক্ষাগৃহে পৌঁছনোর পর শুভেন্দু অধিকারীকে গার্ড অফ অনার দেওয়া নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। বিরোধী ও শাসক দুই শিবিরেই এই ঘটনাকে ঘিরে নানা প্রতিক্রিয়া সামনে এসেছে। যদিও প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, এটি সম্পূর্ণ প্রশাসনিক প্রটোকলের অংশ হিসেবেই করা হয়েছে।
বৈঠকে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে খবর। দুর্গাপুর ও সংলগ্ন এলাকায় সাম্প্রতিক পরিস্থিতি, শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তা এবং জনস্বার্থ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আধিকারিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি প্রশাসনকে সাধারণ মানুষের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন বলেও জানা গেছে।
এছাড়াও, বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং কাজের মান উন্নত করার বিষয়েও বৈঠকে জোর দেওয়া হয়। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে উন্নয়নমূলক প্রকল্প শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আধিকারিকদের মাঠপর্যায়ে আরও সক্রিয় হওয়ার কথাও বলা হয়েছে।



















