পূর্ব মেদিনীপুর: দিল্লিতে আইপ্যাক কর্তা ভিনেশ চান্দেল গত রাতে গ্রেফতার হয়েছেন। (Suvendu Adhikari)কয়লা দুর্নীতিতে যুক্ত থাকার অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করে ইডি। এই প্রসঙ্গেই এবার মুখ খুললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি নির্বাচনী প্রচারের শেষে সংবাদমাধ্যমের সামনে বলেন ইটা সবারই জানা, কিন্তু ইডি এত দেরি করল কেন। তিনি আরও বলেন কোয়ালা চুরির টাকা হাওয়ালার মাধ্যমে গোয়ার নির্বাচনে ব্যবহার করা হয়েছে। অনেকদিন আগেই ইডি ভিনেশকে গ্রেফতার করতে পারত কিন্তু অনেক দেরি করেছে।
পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামের কেন্দামারি অঞ্চল জুড়ে জোরকদমে প্রচার চালালেন বিজেপি প্রার্থী শুভেনেন্দু অধিকারী। নির্বাচনের আগে জনসংযোগ কর্মসূচিতে তিনি বিভিন্ন গ্রাম ও পাড়ায় ঘুরে মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন। পাশাপাশি এলাকার একাধিক মন্দিরে পুজো দিয়ে আশীর্বাদ নেন। হাতে ইভিএমের প্রতীকী মেশিন নিয়ে ভোটারদের উদ্দেশ্যে আবেদন জানান, যাতে তারা তাকে ভোট দিয়ে জয়ী করেন।
আরও দেখুনঃ চিন-পাকিস্তানের ঘুম উড়িয়ে ড্রোন যুদ্ধের শেষ কথা ভারতের শেষনাগ
এই জনসংযোগ পর্বের শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একাধিক ইস্যুতে সরব হন তিনি। বিশেষ করে দিল্লিতে আই-প্যাক ডিরেক্টর ভিনেশ চান্ডেলের গ্রেফতারি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন শুভেন্দু। কয়লা পাচার মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন ভিনেশ চান্ডেল এই ঘটনাকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “এটা তো নতুন কিছু নয়, সবাই জানত। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এত দেরি করে কেন ইডি ব্যবস্থা নিল?”
তাঁর দাবি, অনেক আগেই এই গ্রেফতারি হওয়া উচিত ছিল। তিনি অভিযোগ করেন, কয়লা চুরির বিপুল পরিমাণ টাকা হাওয়ালার মাধ্যমে অন্য রাজ্যের নির্বাচনে ব্যবহার করা হয়েছে, বিশেষ করে গোয়ার নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বিষয়টিকে আরও গুরুতর করে তোলেন। শুভেন্দুর কথায়, “এই দুর্নীতির টাকা রাজনীতিতে ব্যবহার হয়েছে, যা গণতন্ত্রের পক্ষে অত্যন্ত বিপজ্জনক। তদন্তকারী সংস্থাগুলি যদি সময়মতো পদক্ষেপ নিত, তাহলে অনেক আগেই সত্য সামনে আসত।”
তাঁর এই মন্তব্যে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। নির্বাচনের মুখে এই ধরনের গ্রেফতারি এবং তার পরবর্তী রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া রাজ্যের ভোটের আবহকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে। বিজেপির পক্ষ থেকে বারবার অভিযোগ করা হচ্ছে যে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরাই এই ধরনের দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত। যদিও শাসকদল এই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছে এবং দাবি করেছে যে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে।




















