কলকাতা: ভারতীয় ফুটবলের (Indian Football) জন্য আইএসএল ২০২৫-২৬ মরসুমের শুরু যেন নতুন করে আশার আলো জ্বালিয়েছে। কিছুদিন আগেও যেখানে অনিশ্চয়তার মেঘে ঢেকে ছিল দেশের ফুটবল, সেখানে আইএসএলের গতি ফের সেই উত্তেজনাকে ফিরিয়ে এনেছে। তবে লিগ যতই জমে উঠুক, ধীরে ধীরে নজর ঘুরছে জাতীয় দলের দিকেও—কারণ মার্চ ২০২৬ আন্তর্জাতিক বিরতিতে আবার মাঠে নামতে চলেছে ভারত।
৩১ মার্চ ঘরের মাঠে হংকং এর বিরুদ্ধে ইন্ডিয়ার ম্যাচ রয়েছে ২০২৭ এএফসি এশিয়ান কাপ যোগ্যতা পর্বে। যদিও এই প্রতিযোগিতায় ভারতের পরবর্তী পর্বে ওঠার সম্ভাবনা প্রায় শেষ, তবুও বছরের শুরুটা ইতিবাচক ফল দিয়ে করতে চাইবে দল। এই ম্যাচ তাই শুধুই আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার লড়াই। কোচ খালিদ জামিল-এর সামনে বড় চ্যালেঞ্জ নিজের দলকে আবার আক্রমণাত্মক ছন্দে ফেরানো। সম্প্রতি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে হতাশাজনক হারের পর দলের মনোবল কিছুটা নীচে নেমে গেছে। ফলে এই ম্যাচে ভালো পারফরম্যান্স করাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই পরিস্থিতিতে দলের জন্য বড় সুখবর হল রায়ান উইলিয়ামস এর অন্তর্ভুক্তি।
অস্ট্রেলিয়ান বংশোদ্ভূত এই উইঙ্গার এখন ভারতীয় নাগরিক হিসেবে খেলতে পারবেন এবং আক্রমণভাগে গতি ও শক্তি বাড়াতে পারেন। সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের গোল করার সমস্যা স্পষ্ট—শেষ পাঁচ ম্যাচে মাত্র চারটি গোল। ফলে গোলমুখে আরও কার্যকর হওয়া এখন সবচেয়ে বড় লক্ষ্য। তবে শুধুমাত্র একজন খেলোয়াড়ের উপর নির্ভর করে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। এখানে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারেন ।
মুম্বই সিটি-এর এই তারকা ফুটবলার আইএসএলের নতুন মরসুমে ইতিমধ্যেই ভালো ফর্মে রয়েছেন। তাঁর গতি, ড্রিবলিং এবং গোল করার ক্ষমতা ভারতীয় আক্রমণকে আরও ধারালো করে তুলতে পারে। ছাংতে ও রায়ান উইলিয়ামসের যুগলবন্দি ভারতীয় দলের জন্য বড় আশার জায়গা। একজন যেখানে উইং থেকে গতি ও ক্রস দিতে পারেন, অন্যজন সেই সুযোগ কাজে লাগাতে সক্ষম। দু’জনের বোঝাপড়া যদি দ্রুত তৈরি হয়, তাহলে ভারতের গোলের খরা কাটানো সম্ভব। সব মিলিয়ে, সামনে হংকং ম্যাচ শুধু একটি যোগ্যতা পর্বের খেলা নয়—এটি ভারতীয় দলের নতুন সূচনার সুযোগ। চাংতে-উইলিয়ামস জুটি যদি প্রত্যাশা পূরণ করতে পারে, তাহলে ২০২৬ সালে নতুন আত্মবিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে যেতে পারবে ব্লু টাইগার্স।




















