Life is so unpredictable. আবারও প্রমাণিত। কার জীবনের বাতি কখন নিভে যাবে, কেউ জানে না। মাত্র ২৬ বছরেই ইতি পড়ল ভারতীয় ফুটবলার রবিন্দর সিংয়ের জীবনে। ম্যাচ চলাকালীন না ফেরার দেশে পাড়ি দিলেন তিনি। স্বপ্ন দেখতেন ফুটবল খেলে খ্যাতি অর্জন করবেন। কিন্তু আচমকা সব কিছু যেন থেমে গেল। থমকে গেল ময়দানে সেই স্বপ্নের দৌড়। তাঁর প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে ফুটবল মহলে।
রবিন্দর সিং। তরুণ ডিফেন্ডার। বর্তমানে প্রথমবার ডুরান্ড খেলতে নামা নামধারী এফসির হয়ে খেলছিলেন। গত বছর সই করেন নামধারী এফসিতে। পাঞ্জাবের স্থানীয় লিগের এক ম্যাচে খেলতে নেমেছিলেন। ম্যাচ চলাকালীন আচমকা বুকে ব্যথা অনুভব করেন তিনি। এরপরই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তড়িঘড়ি তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় নিকটবর্তী হাসপাতালে। কিন্তু শেষ রক্ষা আর হল না। তরুণ ডিফেন্ডারকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।
সোশ্যাল মিডিয়ায় শোকপ্রকাশ করে নামধারীর তরফ থেকে জানানো হয়েছে, “এত কম বয়সে না ফেরার দেশে পাড়ি দিয়েছেন রাজিন্দর। আমাদের ফুটবল পরিবারে অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল। সর্বশক্তিমান ওর আত্মাকে শান্তি দিন, শোকার্ত পরিবারের পাশে থাকুন।“ শোকবার্তায় বেঙ্গালুরু এফসির তরফে জানানো হয়, “এই অকাল প্রয়াণ মেনে নেওয়া যায় না। কঠিন পরিস্থিতিতে ওঁর পরিবারের পাশে রয়েছি আমরা। ঈশ্বর ওর পরিবারকে সহ্যক্ষমতা দিক।“ শোকপ্রকাশ করেছে মিনার্ভা পাঞ্জাব, গোকুলাম কেরালার মতো দলগুলিও।
রবিন্দরের পৈতৃক ভিটেতে শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ২০০০ সালে লুধিনায়ায় জন্ম হয় রবিন্দর সিংয়ের। আইএফএ শিল্ড, ডুরান্ড কাপে খেলেছেন তিনি। ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধেও ২ বার খেলেছেন তিনি। পাঞ্জাবের স্থানীয় লিগের রাউন্ডের প্রত্যেকটি ম্যাচে রবিন্দরের জন্য এক মিনিটের নীরবতা পালন করা হবে বলে জানিয়েছে আই লিগ।




















