আদালতের অনুমতিতে ঘরে ফিরছে শার্জিল ইমাম

বছর ছয়েক পরে ঘরে ফিরবে ছেলে। অনুমতি দিয়েছে আদালত। তাই আর বাধা নেই। (Sharjeel Imam)ভাইয়ের বিয়েতে পরিজনদের সঙ্গেই কাটাবে শার্জিল ইমাম। ২০২০ সালে দিল্লি দাঙ্গার সময় তাকে গ্রেফতার ...

By Sudipta Biswas

Published:

Follow Us
sharjeel-imam-court-permission-return-home-brothers-wedding

বছর ছয়েক পরে ঘরে ফিরবে ছেলে। অনুমতি দিয়েছে আদালত। তাই আর বাধা নেই। (Sharjeel Imam)ভাইয়ের বিয়েতে পরিজনদের সঙ্গেই কাটাবে শার্জিল ইমাম। ২০২০ সালে দিল্লি দাঙ্গার সময় তাকে গ্রেফতার করা হয়। উত্তর-পূর্ব ভারতকে আলাদা করার মতো উস্কানিমূলক ভাষণ দিয়েছিল সে।

২০১৯ সালের শেষের দিকে নয়া নাগরিকত্ব আইন পাস হয়। দেশজুড়ে সিএএ লাগু করার কথাও শোনা যায়। সেই সময়ে হিংসাত্মক আন্দোলন শুরু হয় দিল্লিতে। হিংসায় উস্কানি দিয়েছিল শার্জিল ইমাম। দেশজুড়ে হিংসা ছড়ানোর কথা বলেছিল বক্তৃতায়। সেই সঙ্গে চিকেনস নেক বিচ্ছিন্ন করার কথাও শোনা গিয়েছিল তার মুখে। এ নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক। একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়। তার বিচারে গরিমসির অভিযোগ উঠেছে।

   

আরও দেখুনঃ তেলের দাম আকাশছোঁয়া! পাকিস্তানে বন্ধ হল স্কুল-সরকারি কর্মীদের ওয়ার্ক ফ্রম হোম

সেই শার্জিল ইমামের বাড়িতে অনুষ্ঠান। ২৫ মার্চ ভাইয়ের বিয়ে। সেই উপলক্ষ্যে জেল থেকে ফিরবে। চয় সপ্তাহের প্যারোল চেয়ে আর্জি জানানো হয়েছিল। ভাইয়ের বিয়ের পাশাপাশি ঈদ যেন সে পরিবারের সঙ্গে কাটাতে পারে। এত সব দাবি মঞ্জুর হয়নি। ১০ দিনের প্যারোল দিয়েছে দিল্লির আদালত। সেই সঙ্গে বেঁদে দিয়েছে একগুচ্ছ শর্ত। এই ১০ দিনে পরিবার-পরিজন ছাড়া কারও সঙ্গে কথা বলতে পারবে না। আদালতের নথিতে উল্লিখিত জায়গা ছাড়া কোথাও যেতেও পারবে না। সোশাল মিডিয়ার ব্যববার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।

মাস খানেক আগে শার্জিলের বিচার নিয়ে বিতর্ক চরমে ওঠে। ময়দানে নামে বহু সংগঠন। সুর চড়ান তৃণমূল এবং সিপিএমের নেতারা। চাঞ্চল্যকর তথ্য হচ্ছে এই সিপিএমের তীব্র বিরোধী শার্জিল ইমাম। যে ভাষণের জেরে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে সেই ভাষণেও সিপিএমের বিরুদ্ধে সরব ছিল শার্জিল। সে বলেছিল, “সিপিএম হিংসাত্মক পার্টি। তাদের হিংসাত্মক শাসনের ইতিহাস আছে। যেমন বিজেপি।

দুই দলই সমান। সবসময় মাথায় রাখতে হবে যে সিপিএম হিংসাত্মক পার্টি। তাদের কেরল এবং বাংলার ইতিহাস পড়ে দেখবেন। তারা এখানে হিংসায় উসকানি দিয়ে গা ঢাকা দিয়েছিল। এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। ইসলামের মতোই সিপিএমের দুই ভাগ- মানহাজ এবং মাসলাক। কমিউনিস্ট এবং সিপিএমের মধ্যে পার্থক্য আছে। সিপিএম ইসলাম বিরোধী।

কেরল এবং পশ্চিমবঙ্গে তাদের রাজনীতি নিয়ে বিতর্ক আছে। পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমদের সংরক্ষণ দেয়নি সিপিএম। গরিব করে রেখেছিল। সব মুসলিম জেনারেল হিসেবে গণ্য হতেন। সিপিএম সংরক্ষণের বিরোধী। ২০০৮ সালে মণ্ডল কমিশন লাগু হওয়ার পর পরিস্থিতি বদলায়। বামেরা মণ্ডল কমিশনেরও বিরোধী ছিল। বাম হোক বা কংগ্রেস- কেউ কখনোই আপনাদের পাশে থাকেনি।”

Sudipta Biswas

Sudipta Biswas is a senior correspondent at Kolkata24x7, covering national affairs, politics and breaking news.