
মুম্বই: ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (T20 World Cup) আগে নিজেদের প্রস্তুতির ঝালাই করে নিল ভারত। নবি মুম্বইয়ের ডক্টর ডিওয়াই পাতিল স্পোর্টস একাডেমি-তে একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা-র বিরুদ্ধে রীতিমতো ব্যাটিং তাণ্ডব চালাল ভারত। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে ভারত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে তোলে বিশাল ২৪০ রান।
ইনিংস জুড়ে ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের আগ্রাসী মানসিকতা স্পষ্ট ছিল। চার ও ছক্কায় ভর করে একের পর এক বোলারকে চাপে ফেলে দেন তাঁরা।
ঈশান কিষাণের বিধ্বংসী শুরু
ইনিংসের শুরুতেই ঝড় তোলেন ঈশান কিষাণ। উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান মাত্র ২০ বলে ৫৩ রান করেন। তাঁর ইনিংসে ছিল ২টি চার ও ৭টি ছক্কা। স্ট্রাইক রেট ছিল চোখ ধাঁধানো ২৬৫।
প্রথম উইকেটে অভিষেক শর্মা-র সঙ্গে ৮০ রানের জুটি গড়েন ঈশান। অভিষেক ১৮ বলে ২৪ রান করে রিটায়ার হার্ট হন, আর অর্ধশতক পূর্ণ করার পর ঈশানও অবসর নেন।
তিলক-হার্দিকের তাণ্ডব
এরপর মিডল অর্ডারে ম্যাচের রাশ ধরেন তিলক ভার্মা। তিনি ১৯ বলে ৪৫ রান করেন, ইনিংসে ছিল ৩টি চার ও একাধিক ছক্কা। অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ১৬ বলে ৩০ রান যোগ করেন।
শেষদিকে পুরো ছবিটাই বদলে দেন হার্দিক পান্ডিয়া। মাত্র ১০ বলে ৩০ রান করেন তিনি, মারেন ২টি চার ও ৩টি ছক্কা। তাঁর আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে শেষ ওভারগুলো আরও ব্যয়বহুল হয়ে ওঠে।
অন্যদিকে অক্ষর প্যাটেল ৩৫ রানে অপরাজিত থাকেন। রিঙ্কু সিং ১৩ বলে ১৬ রান করে ইনিংস শেষ করেন।
আফ্রিকান বোলারদের কঠিন দিন
ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের দাপটে দক্ষিণ আফ্রিকার বোলাররা পুরোপুরি চাপে পড়ে যান। ভারতীয় ইনিংসে মোট ১৯টি ছক্কা ও ১৫টি চার হাঁকানো হয়।
আনরিচ নর্টজে ৩ ওভারে দেন ৫৭ রান। কাগিসো রাবাদা-ও ৩ ওভারে দেন ৪৪ রান। মার্কো জানসেন, করবিন বোশ এবং কুয়েনা এমফাকা একটি করে উইকেট পেলেও ভারতীয় রানরোধ করতে পারেননি।
কী বার্তা দিল এই ম্যাচ?
বিশ্বকাপের আগে এই প্রস্তুতি ম্যাচে ভারতের ব্যাটিং গভীরতা ও আক্রমণাত্মক মানসিকতা স্পষ্টভাবে ধরা পড়েছে। টপ অর্ডার থেকে ফিনিশার—সবাই রান পেয়েছেন, যা টিম ম্যানেজমেন্টের জন্য নিঃসন্দেহে ইতিবাচক দিক।
আরও দেখুন
বয়কটের ফল হাতে নাতে! বৈঠকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে চরম সিদ্ধান্ত
শেষ হয়ে যেতে পারে পাক ক্রিকেট! বিস্ফোরক প্রাক্তন চেয়ারম্যান
ফিট না হওয়ায় এখনও ছাড়পত্র পাননি ওয়াশিংটন সুন্দর, কেন তা জেনে নিন













