ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ থেকে ক্রমশ সরছে রুশ সেনা। কিয়েভের আশেপাশের অঞ্চলগুলির নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করছে ইউক্রেন। রাশিয়ার এখন নজর পূর্ব ইউক্রেনের দিকে।
ইউক্রেনের লুহানস্ক এবং ডনেটস্ক অঞ্চল, যা যৌথভাবে ডনবাস অঞ্চল তৈরি করে, সেটি দখল এখন রাশিয়ার উদ্দেশ্য। এই এলাকাগুলি “স্বাধীন” হিসাবে স্বীকৃত ছিল। তবে এখন তা রাশিয়া দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রশাসন ফেব্রুয়ারিতে লুহানস্ক ও দোনেস্ককে ‘স্বাধীন অঞ্চল’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
ইউক্রেন এবং ডনবাস অঞ্চলের মধ্যে নতুন ফ্রন্টে এখনও একটি ভয়ঙ্কর লড়াই চলছে। ডোনেটস্কের একটি গ্রাম ভার্খনোটোরেটস্কেকে কেন্দ্র করে চলছে লড়াই। এই এলাকাটি গোরলোভকার ঠিক সামনে। এলাকাটি ইতিমধ্যেই রাশিয়ান বাহিনী সম্পূর্ণরূপে দখল করে নিয়েছে। ভার্খনোটোরেটস্কে, ধ্বংসপ্রাপ্ত সাঁজোয়া যান এবং আর্টিলারি ক্যারিয়ার দেখা গিয়েছে। এলাকাটি আশেপাশের বাড়িঘর ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। তীব্র গোলাবর্ষণ ও বোমা হামলার কারণে একটি স্কুল সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গিয়েছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে শামিল হওয়া সোভিয়েত সৈন্যদের সম্মানে নির্মিত একটি মূর্তিও রাশিয়ার বোমা হামলায় ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। ইউক্রেনের একজন জওয়ান বলেছেন যে এটিই সেই জায়গা যেখানে নাৎসিদের বিরুদ্ধে লড়াই হয়েছিল। ইউক্রেনীয় বাহিনী তার পূর্বাঞ্চলীয় শহরগুলির উপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারের জন্য লড়াই চালাচ্ছে। বিশেষ করে মারিউপোল, যা রাশিয়ার জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি ডনবাস অঞ্চলের ডোনেটস্ক এবং এর দক্ষিণ-পশ্চিমে ক্রিমিয়ার (খেরসনের ঠিক পরে) মধ্যে রয়েছে৷




















