নয়াদিল্লি: কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের জন্য সুখবর। প্রস্তাবিত অষ্টম পে কমিশন লাগু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হবে লক্ষ্ণীলাভ৷ বেতন বাড়লে দেশের বাজারে চাহিদাও বৃদ্ধি পাবে। সপ্তম পে কমিশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পথে৷ নতুন বেতন কমিশন কার্যকর হলে এর থেকে উপকৃত হবেন প্রায় ১ কোটি ১২ লক্ষ কেন্দ্রীয় কর্মী ও পেনশনভোগী৷
কতটা বাড়তে পারে বেতন?
অ্যাম্বিট ইনস্টিটিউশনাল ইকুইটিসের একটি সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, সপ্তম পে কমিশনের তুলনায় অষ্টম পে কমিশনে অনেক বেশি বেতন বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। সপ্তম পে কমিশনে মূল বেতনের বৃদ্ধি ছিল প্রায় ১৪.৩ শতাংশ। আশা করা হচ্ছে, অষ্টম পে কমিশনে বেতন ও পেনশন ৩০ থেকে ৩৪ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি হতে পারে। এটি কার্যকর হলে সরকারের মোট ব্যয়ের প্রায় ১৫.৫ শতাংশ এই খাতে খরচ হবে।
ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ও বেতন কাঠামো 8th Pay Commission Salary Hike
বেতন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হল ‘ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর’ (Fitment Factor)। বিশেষজ্ঞদের মতে, এবার এই ফ্যাক্টর ১.৯ থেকে শুরু করে ২.৮ বা ৩.০ পর্যন্ত রাখা হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, যদি বর্তমানে কারোর মূল বেতন ৫০,০০০ টাকা হয় এবং ২০২৫ সালের শেষে মহার্ঘ ভাতা (DA) ৬০ শতাংশে পৌঁছায়, তবে নতুন কমিশনের অধীনে ন্যূনতম বেতন বৃদ্ধির হারও হবে চোখে পড়ার মতো।
অর্থনীতি ও সরকারি কোষাগারে প্রভাব
নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হলে কেন্দ্রীয় সরকারের কোষাগারে অতিরিক্ত ১.৮ ট্রিলিয়ন টাকার বোঝা বাড়বে। কেন্দ্রের পথ অনুসরণ করে রাজ্য সরকারগুলিও যদি বেতন সংশোধন করে, তবে দেশের মানুষের হাতে খরচের টাকা বাড়বে, যা অটোমোবাইল, আবাসন এবং ভোগ্যপণ্য বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। আয়কর ছাড়ের পাশাপাশি এই বেতন বৃদ্ধি গৃহস্থালির সঞ্চয় ও খর, উভয়কেই চাঙ্গা করবে।
কবে থেকে কার্যকর হবে?
২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে সপ্তম পে কমিশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। যদিও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এবং অনুমোদন পেতে কিছুটা সময় লাগতে পারে৷ তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, যখনই এটি অনুমোদিত হোক না কেন, বকেয়া বা এরিয়ার টাকা ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকেই কার্যকর হিসেবে ধরা হতে পারে।




















