ভারতের প্রতিপক্ষের যুদ্ধবিমানের জন্য ইঞ্জিন সরবরাহ করবে আমেরিকা, ৭০০ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি চূড়ান্ত

Jet Engine Deal: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তুরস্কের কাছে ৭০০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি (প্রায় ৫,৮০০ কোটি টাকা) মূল্যের যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিন বিক্রির অনুমোদন দিয়েছেন। এমন এক সময়ে…

Jet Engine Deal: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তুরস্কের কাছে ৭০০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি (প্রায় ৫,৮০০ কোটি টাকা) মূল্যের যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিন বিক্রির অনুমোদন দিয়েছেন। এমন এক সময়ে এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো, যখন তুর্কি বিমানবাহিনী তাদের বিমানবহর আধুনিকীকরণের ক্ষেত্রে হিমশিম খাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতারা তুরস্কের সাথে প্রতিরক্ষা চুক্তির বিষয়ে বিরোধিতা প্রকাশ করছেন।

ট্রাম্প প্রশাসন তুরস্কের কাছে মার্কিন কোম্পানি ‘জেনারেল ইলেকট্রিক’ (GE)-এর তৈরি জেট ইঞ্জিন বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে। এই চুক্তির মূল্য ৭০০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি। ২৪ জুন কংগ্রেসের কাছে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশ দপ্তর জানিয়েছে যে, রাজনৈতিক, সামরিক, অর্থনৈতিক ও মানবাধিকার-সংক্রান্ত বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে সরকার এই রপ্তানির জন্য লাইসেন্স প্রদানে প্রস্তুত রয়েছে।

   

তুরস্কের জন্য এই ইঞ্জিনগুলো কেন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ?
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের প্রধান লক্ষ্য হলো প্রতিরক্ষা খাতে তুরস্ককে স্বনির্ভর করে তোলা। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে, ২০১৬ সালে তুরস্ক নিজস্ব প্রযুক্তিতে পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান ‘কান’ (KAAN) তৈরির একটি প্রকল্প হাতে নেয়।

১. ইঞ্জিন না থাকায় থমকে গেছে প্রকল্প: প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, তুরস্ক নিজস্ব যুদ্ধবিমান তৈরি করলেও এটি ওড়ানোর জন্য একটি অত্যাধুনিক ইঞ্জিনের প্রয়োজন—যা কেবল যুক্তরাষ্ট্র থেকেই সংগ্রহ করা সম্ভব। আমেরিকান ইঞ্জিন ছাড়া ‘কান’ (KAAN) প্রকল্পটি পুরোপুরি থমকে যেতে পারে।

২. বয়সের ভারে নুয়ে পড়া বিমানবাহিনী: বর্তমানে তুর্কি বিমানবাহিনী মূলত পুরোনো মার্কিন এফ-১৬ (F-16) যুদ্ধবিমান এবং বায়রাক্তারের (Bayraktar) মতো দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ড্রোন-এর ওপর নির্ভরশীল। বিমানবাহিনীর আধুনিকায়ন এরদোয়ানের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।