প্রস্তুতি চলছে নতুন ‘অ্যান্টি-ড্রোন’ সিস্টেমে সজ্জিত রাফাল যুদ্ধবিমানের দ্রুত সরবরাহের

Rafale Fighter Jet: রাফাল যুদ্ধবিমানের ফরাসি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘দ্যাসো এভিয়েশন’ ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে ১২টি রাফাল বিমান হস্তান্তর করেছে এবং বছর শেষ হওয়ার আগেই আরও ১৬টি…

Rafale

Rafale Fighter Jet: রাফাল যুদ্ধবিমানের ফরাসি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘দ্যাসো এভিয়েশন’ ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে ১২টি রাফাল বিমান হস্তান্তর করেছে এবং বছর শেষ হওয়ার আগেই আরও ১৬টি বিমান হস্তান্তরের পরিকল্পনা করছে। এই সময়সূচি অনুযায়ী, ফরাসি কোম্পানিটি ২০২৫ সালে মোট ২৬টি রাফাল বিমান হস্তান্তরের সংখ্যাকে ছাড়িয়ে যাবে। প্রথমার্ধে যেসব বিমান হস্তান্তর করা হয়েছে, তার মধ্যে দুটি ফ্রান্স পেয়েছে এবং ১০টি রফতানি গ্রাহকদের সরবরাহ করা হয়েছে। দ্যাসো অবশ্য বিদেশি গ্রাহকদের নাম প্রকাশ করেনি।

জুন মাসের শেষে কোম্পানিটির হাতে ২০৮টি রাফাল যুদ্ধবিমানের ক্রয়াদেশ (অর্ডার) ছিল। ফ্রান্স এবং আন্তর্জাতিক গ্রাহকদের কাছে বিমান সরবরাহ অব্যাহত রাখার পাশাপাশি এটি উৎপাদনের একটি শক্তিশালী ভিত্তি গড়ে তুলেছে। বছরের শেষ নাগাদ এই ক্রয়াদেশের তালিকা আরও দীর্ঘ হতে পারে; কারণ জুলাই মাসে ইউক্রেন ১৬টি রাফাল জেট কেনার জন্য ফরাসি সরকারের সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

Advertisements

রাফাল যুদ্ধবিমান হস্তান্তরের একটি বড় ধাপের প্রস্তুতি চলছে। এছাড়া, ১১৪টি রাফাল বিমান কেনার সম্ভাব্য একটি বিষয় নিয়ে ফ্রান্সের সঙ্গে ভারতের আলোচনা চলছে। পাশাপাশি, ইরাকও রাফাল বিমানের প্রতি আলাদাভাবে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। অস্ত্র সংযোজনের ক্ষেত্রেও ফ্রান্সের রাফাল কর্মসূচি এগিয়ে চলেছে। ফ্রান্স রাফাল যুদ্ধবিমানের সাথে নতুন ৬৮ মিমি গাইডেড রকেটের সংযোজন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। ফ্রান্সের ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ আর্মামেন্ট (DGA) জানিয়েছে যে, গত ৭ জুলাই এর পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ হয়েছে। প্রকল্পটি ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫-এ শুরু হয়েছিল এবং দাসো এভিয়েশন ও থ্যালিসের সহযোগিতায় এটি বাস্তবায়িত হয়েছে।

এই অস্ত্রটির লক্ষ্য হলো দূরপাল্লার ‘লোইটারিং মিউনিশন’ (loitering munitions) এবং চালকবিহীন আকাশযান। এর সংযোজন স্বল্পমূল্যের আকাশ-হুমকি মোকাবিলার ক্ষেত্রে একটি বাড়তি বিকল্প তৈরি করে। স্বল্প ও মাঝারি পাল্লার উন্নত লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে বর্তমানে ব্যবহৃত অন্যান্য অস্ত্রের তুলনায় ৬৮ মিমি গাইডেড রকেটটি কম খরচের। এর ফলে রাফাল পরিচালনাকারীরা এমন সব অভিযানের ক্ষেত্রে সাশ্রয়ী উপায়ে লক্ষ্যবস্তু মোকাবিলার সুযোগ পান, যেখানে অত্যন্ত ব্যয়বহুল গোলাবারুদ ব্যবহারের প্রয়োজন নেই।