পাকিস্তানের গলায় তালিবান কাঁটা! ইরানে যুদ্ধ বিমান মোতায়েন ট্রাম্পের

ওয়াশিংটন: পাকিস্তানের গলার কাঁটা এখন আফগানিস্তান। মুহুর্মুহু আক্রমণে পর্যুদস্ত পাক সেনা বাহিনী (Donald Trump)। সামরিক পোস্ট থেকে শুরু করে পারমাণবিক কেন্দ্রের উপর জোরদার আক্রমণ চলছে এমনটাই দাবি করেছে ...

By Sudipta Biswas

Published:

Follow Us
donald-trump-deploys-warplanes-iran-pakistan-taliban-tensions

ওয়াশিংটন: পাকিস্তানের গলার কাঁটা এখন আফগানিস্তান। মুহুর্মুহু আক্রমণে পর্যুদস্ত পাক সেনা বাহিনী (Donald Trump)। সামরিক পোস্ট থেকে শুরু করে পারমাণবিক কেন্দ্রের উপর জোরদার আক্রমণ চলছে এমনটাই দাবি করেছে তালিবান সরকার। এই আবহেই সংকটে ইরান। মার্কিন প্রেসিডেন্টের রোষানল যেন আগুনের মত ছড়িয়ে পড়ছে সারা দেশে। সূত্রের খবরে দেখা যাচ্ছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের নিউক্লিয়ার প্রোগ্রাম নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন এবং দু’টি ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপসহ বিমানবাহিনীর বড় অংশ মোতায়েন করেছেন।

F-15E স্ট্রাইক ইগল, F-35, F-22 এবং অন্যান্য ফাইটার জেট মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছে, যা দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ বলে মনে করছেন তাবড় কূটনীতিকরা। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়ছে কারণ জেনেভায় চলা আলোচনা অসফল হয়েছে। ট্রাম্প বলেছেন, ইরান যদি নিউক্লিয়ার অস্ত্র তৈরি না ছাড়ে, তাহলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেই বলেছেন, আমেরিকার আক্রমণ হলে তারা আমেরিকান জাহাজ ডুবিয়ে দেবে এবং অঞ্চলে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়বে।

   

আরও দেখুন: কিউইদের বিরুদ্ধে তাণ্ডব ইংরেজদের, সেমির দৌঁড়ে টিকে রইল পাকিস্তান

ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ড্রোন হামলার ক্ষমতা রয়েছে, যা মার্কিন ঘাঁটি ও মিত্রদের লক্ষ্য করতে পারে। USS Gerald R. Ford এবং USS Abraham Lincoln-এর ক্যারিয়ার গ্রুপসহ দু’টি ক্যারিয়ার মধ্যপ্রাচ্যের কাছে অবস্থান নিয়েছে। এছাড়া জর্ডন, সৌদি আরব, বাহারিন সহ বিভিন্ন দেশে F-15E স্ট্রাইক ইগল, F-35 লাইটনিং II, F-22 র্যাপ্টর এবং A-10 থান্ডারবোল্ট জেট মোতায়েন করা হয়েছে।

ফ্লাইট ট্র্যাকিং ডেটা অনুযায়ী, শতাধিক ফাইটার জেট এবং ট্যাঙ্কার, AWACS বিমান এলাকায় রয়েছে। এটি ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। F-15E স্ট্রাইক ইগল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এই জেট প্রায় ১৫০০ কিমি/ঘণ্টা গতিতে উড়তে পারে এবং অ্যাডভান্সড মিসাইল, বোমা বহন করে। এটি ইরানের এয়ার ডিফেন্স, মিসাইল সাইট বা ফরওয়ার্ড পজিশন লক্ষ্য করতে সক্ষম। কিন্তু এখনও কোনো হামলা হয়নি।

মার্কিন বাহিনী ডিটারেন্স (প্রতিরোধ) এবং সম্ভাব্য স্ট্রাইকের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। ইরানের নিউক্লিয়ার সাইট, মিসাইল ফ্যাক্টরি বা কমান্ড সেন্টার লক্ষ্য হতে পারে।ইরানের পক্ষ থেকে প্রতিশোধের হুমকি রয়েছে। তারা বলছে, আমেরিকা আক্রমণ করলে গাল্ফে মার্কিন জাহাজ, ঘাঁটি এবং মিত্রদের লক্ষ্য করবে। ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল ইসরায়েল, সৌদি আরব, ইউএই পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। গত বছরের ১২-দিনের যুদ্ধে (ইরান-ইসরায়েল) ইরানের নিউক্লিয়ার সাইটে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলা হয়েছে (অপারেশন মিডনাইট হ্যামার), যাতে B-2 বোমার এবং টমাহক মিসাইল ব্যবহার করা হয়। এখন আবার সেই আশঙ্কা।

Sudipta Biswas

Sudipta Biswas is a senior correspondent at Kolkata24x7, covering national affairs, politics and breaking news.