সম্পূর্ণ ব্যর্থ! চীনা এয়ার ডিফেন্স নিয়ে হাত কামড়াচ্ছে ইরান

তেহরান: ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় নাস্তানাবুদ ইরান। যুদ্ধ পরিস্থিতি ক্রমাগত উত্তপ্ত হচ্ছে প্রত্যেকদিন। (HQ-9B air defense)এই আবহেই চীনা এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম নিয়ে হাত কামড়াচ্ছে ইরান। ইরানের সামরিক নেতৃত্ব এবং ...

By Sudipta Biswas

Published:

Follow Us
china-hq9b-air-defense-iran-israel-us-strikes

তেহরান: ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় নাস্তানাবুদ ইরান। যুদ্ধ পরিস্থিতি ক্রমাগত উত্তপ্ত হচ্ছে প্রত্যেকদিন। (HQ-9B air defense)এই আবহেই চীনা এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম নিয়ে হাত কামড়াচ্ছে ইরান। ইরানের সামরিক নেতৃত্ব এবং বিশ্লেষকদের মধ্যে চীনের HQ-9B এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম নিয়ে বড় ধরনের অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে। যুদ্ধের শুরুর দিকে, আমেরিকা এবং ইজরায়েলের সমন্বিত বিমান হামলায় এই চীনা তৈরি অত্যাধুনিক এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমগুলো প্রথম ঘণ্টার মধ্যেই ধ্বংস হয়ে গেছে বলে খবর পাওয়া গিয়েছে।

এতে ইরানের আকাশরক্ষা ব্যবস্থা ছিন্নভিন্ন হয়ে পড়েছে, আর দেশের সামরিক পরিকাঠামোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ইরানের পক্ষ থেকে এই ব্যর্থতাকে ‘বড় ধাক্কা’ হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ এই সিস্টেমগুলোকে তারা নিউক্লিয়ার সাইট এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষার জন্য বিশেষভাবে মোতায়েন করেছিল। ফেব্রুয়ারি শেষের দিকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে (অপারেশন এপিক ফিউরি নামে পরিচিত) মার্কিন ও ইজরায়েলি বাহিনী স্টিলথ বিমান, প্রিসিশন গাইডেড মিসাইল এবং ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ারের মাধ্যমে ইরানের এয়ার ডিফেন্স নেটওয়ার্ককে দ্রুত নিষ্ক্রিয় করে দিয়েছে।

   

আরও দেখুনঃ বাবা হলেন রণদীর, ঘর আলো করে এল পুত্র না কন্যাসন্তান?

রিপোর্ট অনুসারে, তিনটি HQ-9B ব্যাটারি প্রথম ঘণ্টায়ই ধ্বংস হয়েছে। এই সিস্টেম চীনের সবচেয়ে উন্নত লং-রেঞ্জ এয়ার ডিফেন্স, যা ২৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত রেঞ্জ এবং ১০০টি টার্গেট একসঙ্গে ট্র্যাক করতে পারে। ইরান গত বছরের ১২ দিনের যুদ্ধের পর এগুলো চীন থেকে কিনে নিয়েছিল যাতে রাশিয়ান S-300 এবং নিজস্ব Bavar-373-এর সঙ্গে লেয়ার্ড ডিফেন্স তৈরি করা যায়। কিন্তু বাস্তবে এই ডিফেন্স সিস্টেম কোনও কাজে আসেনি।

ইরানি কর্মকর্তাদের অভিযোগ, এই সিস্টেমগুলো স্টিলথ বিমান এবং ক্রুজ মিসাইলের বিরুদ্ধে কার্যকর ছিল না। হামলার সময় রাডার সিস্টেমগুলো প্রথমেই নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়, ফলে HQ-9B-এর মিসাইল লঞ্চারগুলো কাজ করা বন্ধ করে দেয়। তেহরানের কাছে নিউক্লিয়ার সাইট, সুপ্রিম লিডারের কম্পাউন্ড এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হামলা চালানো হয়েছে, আর HQ-9B কোনো উল্লেখযোগ্য আঘাত হানতে পারেনি।

এতে ২০টিরও বেশি প্রদেশে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে। ইরানের পক্ষ থেকে চীনের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। কিছু সূত্র বলছে, তারা এই সিস্টেমকে ‘অকেজো’ বা ‘TEMU-স্তরের’ বলে অভিহিত করেছে। চীন অবশ্য অফিসিয়ালি বলেছে যে তারা ইরানকে HQ-9B সরবরাহ করেনি, এবং ধ্বংসের ছবিগুলো পুরনো বা ভুয়ো।

ভিডিও নিউজ দেখুন

Sudipta Biswas

Sudipta Biswas is a senior correspondent at Kolkata24x7, covering national affairs, politics and breaking news.

Follow on Google