শত্রুরা সাবধান! চিন তৈরী করল সবচেয়ে ছোট মাছি ড্রোন গুপ্তচর

প্রযুক্তিতে বরাবরই এগিয়ে রয়েছে চিন। (China Fly)এবার তারাই তৈরী করে ফেলল একদম মাছির মত দেখতে ড্রোন। যা দিয়ে খুব সহজেই শত্রুর চোখ এড়িয়ে তাদের গতিবিধি…

china-fly-spy-drone

প্রযুক্তিতে বরাবরই এগিয়ে রয়েছে চিন। (China Fly)এবার তারাই তৈরী করে ফেলল একদম মাছির মত দেখতে ড্রোন। যা দিয়ে খুব সহজেই শত্রুর চোখ এড়িয়ে তাদের গতিবিধি ট্র্যাক করা যাবে। শত্রুরা বুঝতেও পারবে না অবিকল মাছির মত দেখতে ড্রোন তাদের গতিবিধি লক্ষ করছে। চিনের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ ডিফেন্স টেকনোলজি (এনইউডিটি) তৈরি করেছে একটি মাছির মতো দেখতে অতি ক্ষুদ্রাকার ড্রোন।

   

যার ওজন মাত্র ০.৩ গ্রামেরও কম এবং এটি দেখতে এতটাই বাস্তবসম্মত যে সাধারণ মানুষ হয়তো হাত দিয়ে উড়িয়ে দিতে চাইবে, কিন্তু বুঝতেই পারবে না যে সেটি আসলে একটি অত্যাধুনিক গুপ্তচর যন্ত্র।এই ‘মসকিটো ড্রোন’টি দৈর্ঘ্যে মাত্র ১ থেকে ২ সেন্টিমিটার। এর ডানা পাতার আকৃতির, শরীর কাল এবং অত্যন্ত পাতলা তিনটি পা রয়েছে ঠিক যেন একটি সাধারণ মশা।

আরও দেখুনঃ https://kolkata24x7.in/world/donald-trump-announces-iran-agrees-never-to-develop-nuclear-weapons/

এর ডানা প্রতি সেকেন্ডে ৫০০ বারেরও বেশি ঝাপটায়। ফলে এটি উড়তে থাকলে শব্দ প্রায় হয় না এবং চলাফেরা করে একদম প্রাকৃতিক মশার মতই। রাডারে ধরা পড়ার সম্ভাবনা খুবই কম কারণ এটি ধাতব নয়, বরং অতি হালকা নন-মেটালিক উপাদানে তৈরি। চিনা রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সিসিটিভিতে যখন একজন ছাত্র লিয়াং হেক্সিয়াং আঙুলের ডগায় এই ড্রোনটি ধরে দেখান, তখন বিশ্বজুড়ে আলোড়ন পড়ে যায়।

তিনি বলেন, “এটি একটি মশার মতো রোবট। এ ধরনের ক্ষুদ্রাকার বায়োনিক রোবট যুদ্ধক্ষেত্রে তথ্য সংগ্রহ ও বিশেষ অভিযানের জন্য আদর্শ।” এই ড্রোনে অতি ক্ষুদ্র ক্যামেরা, মাইক্রোফোন এবং সেন্সর লাগানো হয়েছে যা ছবি, শব্দ এবং ইলেকট্রনিক সিগন্যাল সংগ্রহ করতে পারে। এটি ঘরের ভিতরে, জানালার ফাঁক দিয়ে কিংবা গাছের পাতার আড়ালে সহজেই লুকিয়ে থাকতে পারে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই প্রযুক্তি গুপ্তচরবৃত্তি, যুদ্ধক্ষেত্রের নজরদারি এবং বিশেষ অভিযানে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে পারে।

শত্রুপক্ষের সেনা শিবির, গুরুত্বপূর্ণ ভবন কিংবা বৈঠককক্ষে এই ড্রোন ঢুকে পড়ে তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে এবং কেউ টেরও পাবে না। কল্পবিজ্ঞানের সিনেমায় যেমন দেখা যায়, বাস্তবে সেটাই হয়ে উঠছে।তবে এর সীমাবদ্ধতাও আছে। ব্যাটারির ক্ষমতা খুব কম, ফলে এটি দীর্ঘ সময় উড়তে পারে না। বাতাসের দাপটেও এটি সহজে ভেসে যেতে পারে। কিন্তু চিনা বিজ্ঞানীরা এই চ্যালেঞ্জগুলো কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন