Siliguri: শিলিগুড়িতে ধৃত অনুপ্রবেশকারী পাক মহিলার বোন কলকাতার কাছে থাকেন

নেপাল থেকে বিনা ভিসায় ভারতে ঢুকে ধৃত পাকিস্তানি মহিলা ও তার সন্তান। তারা নেপাল-ভারতের পানিট্যাঙ্কি সীমান্ত হয়ে শিলিগুড়ি (Siliguri) এসে ধরা পড়েন। জেরায় উঠে এসেছে ধৃত পাক মহিলার ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Follow Us

নেপাল থেকে বিনা ভিসায় ভারতে ঢুকে ধৃত পাকিস্তানি মহিলা ও তার সন্তান। তারা নেপাল-ভারতের পানিট্যাঙ্কি সীমান্ত হয়ে শিলিগুড়ি (Siliguri) এসে ধরা পড়েন। জেরায় উঠে এসেছে ধৃত পাক মহিলার এক বোন থাকেন পশ্চিমবঙ্গে। তিনি উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বাসিন্দা।

ভারতে অনুপ্রবেশের অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া পাক মহিলার নাম পাইসাহানি। তিনি করাচির বাসিন্দা। পাইগাসানি (৬২) ও তার ছেলে (১১) দুজনেই নেপাল থেকে ভারতে আসেন। পাকিস্তান সরকারের দে়ওয়া পাসপোর্টের নথিতে লেখা আছে ওই মহিলার পাসপোর্ট ২০৩২ সাল পর্যন্ত বৈধ এবং ছেলের পাসপোর্টটি ২০২৭ সালের মে মাস পর্যন্ত বৈধ।

   

পড়ুুন নেপালের সীমান্তে থাকা ভারতের রাজ্যগুলি কেন পাক অনুপ্রবেশকারীদের পছন্দFake Passport: হিন্দু সংখ্যাগুরু নেপাল ভারতের নিরাপত্তায় বড় বিপদ, ভুয়ো নথিতে লাগাতার অনুপ্রবেশ

তদন্তে উঠে এসছে,তারা পাকিস্তান থেকে সৌদি আরবে গেছিলেন। সেখান থেকে গত ৫ নভেম্বর নেপালে যাওয়ার উদ্দেশ্যে টিকিট কেটেছিলেন। গতি ১১ নভেম্বর তারা সৌদি আরব থেকে দিল্লি পৌঁছান। সেখানে থেকে কাঠমান্ডুতে পৌঁছান। এরপর তারা নেপাল সীমান্ত হয়ে ভারতে প্রবেশ করছিলেন ভিসা ছাড়াই। সীমান্ত প্রহরীদের সন্দেহ হওয়ায় তাদের আটক করে জেরা করা হয়। দেখা যায় এই দুই পাক নাগরিক তারা ভিসা না করেই ভারতে প্রবেশ করে। গ্রেফতার করার পর দুজনকেই শিলিগুড়ি কোর্টে পেশ করা হয়।

গ্রেফতার হওয়া দুই পাক অনুপ্রবেশকারীর উদ্দেশ্য নিয়ে উঠছে। প্রশ্ন জানা গেছে উত্তর চব্বিশ পরগণায় থাকা তার বোনের সাথে দেখা করতেই আসছিলেন পাক মহিলা।কিন্তু তাদের কাছে বৈধ ভিসা ছিল না। তবে তাদের পাসপোর্ট নথি সবই বৈধ। পুলিশ জানিয়েছে, অনুপ্রবেশকারী পাক মহিলা আত্মীয়র বাড়ি যাচ্ছিলেন তা মিথ্যে নয়। কিন্তু তার কাছে যেহেতু ভিসা বা ভারতের বৈধ নথি ছিল না তাই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ভিডিও নিউজ দেখুন

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google