
উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জ বিধানসভা এলাকায় বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্রের (Rekha Patra) একটি বক্তব্য ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। ভোটের প্রচারে গিয়ে তাঁর মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শাসক ও বিরোধী দুই শিবিরেই শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা। অভিযোগ, জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এমন কিছু মন্তব্য করেন, যা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে হিঙ্গলগঞ্জের যোগেশগঞ্জ (Rekha Patra) এলাকায় নির্বাচনী প্রচার সভায়। সেখানে সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রেখা পাত্র (Rekha Patra) বলেন, “আমরা বুলডোজার চালিয়ে রক্তাক্ত করব। কিন্তু সেই রক্ত বাইরে বেরবে না। আমরা এই তৃণমূল সরকারকে বুঝিয়ে দেব যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ খুলে খুলে বিক্রি করে দেওয়ার সাজা কী হয়।” তাঁর এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে বিতর্কের ঝড়।
বুলডোজার(Rekha Patra) রাজনীতি নিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তেই ইতিমধ্যেই বিতর্ক রয়েছে। প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে রাজনৈতিক প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা নিয়ে বিরোধীরা বারবার প্রশ্ন তুলেছে। এর মধ্যেই রেখা পাত্রের এই ধরনের কড়া মন্তব্য নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, ভোটের প্রচারে গিয়ে এমন ভাষা ব্যবহার করা গণতান্ত্রিক রাজনীতির জন্য উদ্বেগজনক।
অন্যদিকে বিজেপি(Rekha Patra) শিবির থেকে এ বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া না এলেও দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে যে, বক্তব্যটি সম্ভবত রাজনৈতিক আবেগের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে বলা হয়েছে এবং সেটিকে প্রসঙ্গ থেকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখা উচিত নয়। তবে বিরোধী দল তৃণমূল কংগ্রেস এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছে। তাদের দাবি, নির্বাচনী প্রচারে এমন হুমকিমূলক ভাষা ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে অগ্রহণযোগ্য এবং ভোটের পরিবেশকে বিষিয়ে তুলছে।
তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য অনুযায়ী, (Rekha Patra) গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে হবে নীতি ও উন্নয়নের ভিত্তিতে, হিংসা বা ভয় দেখিয়ে নয়। তারা নির্বাচন কমিশনের কাছেও বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ জানাতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে। অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভোটের প্রচারে উত্তেজনা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেক সময় প্রার্থীদের বক্তব্য নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, যা পরবর্তীতে বিতর্কের জন্ম দেয়।
হিঙ্গলগঞ্জ(Rekha Patra) এলাকায় ইতিমধ্যেই এই বক্তব্য নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ এটিকে রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে দেখলেও অনেকে মনে করছেন, এমন ভাষা সমাজে ভুল বার্তা দিতে পারে এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশে প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে “রক্তাক্ত” শব্দ ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকেই।

