বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়েতে খুন রাজা দত্ত, পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি দুষ্কৃতীদের

কলকাতা: উত্তর দমদমের খলিসাকোটায় সোমবার ভোরে বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ের ধার থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হল কুখ্যাত দুষ্কৃতী রাজা দত্তের দেহ। শরীরের একাধিক জায়গায় গুলির ক্ষত…

কলকাতা: উত্তর দমদমের খলিসাকোটায় সোমবার ভোরে বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ের ধার থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হল কুখ্যাত দুষ্কৃতী রাজা দত্তের দেহ। শরীরের একাধিক জায়গায় গুলির ক্ষত রয়েছে তাঁর। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, পুরনো শত্রুতা বা গোষ্ঠী সংঘর্ষের (গ্যাংওয়ার) জেরে খুব কাছ থেকে তাঁকে গুলি করে খুন করা হয়েছে। এই ঘটনায় রাজার সঙ্গে থাকা আরও দু’জন সঙ্গী গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। (notorious criminal raja datta murdered north dumdum)

কী জানা যাচ্ছে?

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, সোমবার ভোরে বিরাটির বাসিন্দা রাজা দত্ত এবং তাঁর দুই সঙ্গী বাইকে করে খলিসাকোটার দিক দিয়ে যাচ্ছিলেন। গ্যারাজের কাছে আগে থেকেই ওঁত পেতে থাকা দুষ্কৃতীরা তাঁদের ঘিরে ফেলে বলে অভিযোগ। তদন্তকারীদের প্রাথমিক ধারণা, হামলাকারীরা রাজার পরিচিতই ছিল। প্রথমে রাজার কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়া হয়, এরপর পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে তাঁকে গুলি করা হয়। গুলির শব্দ শুনে স্থানীয় বাসিন্দারাই পুলিশে খবর দেন। দমদম থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে ও পরে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা রাজাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তদন্ত ও জল্পনা

রাজা দত্ত দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে পুলিশের খাতায় নাম রয়েছে। পুলিশ কমিশনারেটের ডিসি (দক্ষিণ) শামীর আহমেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে দুষ্কৃতীদের পালানোর পথ চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। এখনও পর্যন্ত পুলিশ পাঁচ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে, তবে কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।

এই ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। স্থানীয় বিজেপি কর্মী অভিজিৎ চৌধুরীর অভিযোগ, ওই এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই দুষ্কৃতীদের দাপট চলছে এবং জমি দখল থেকে শুরু করে মারধরের মতো ঘটনা নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। ১৯ নম্বর ওয়ার্ডকে দুষ্কৃতীমুক্ত করার দাবি তুলেছেন তিনি।

পুলিশের দাবি, এটি সম্ভবত কোনো পুরনো বিবাদের জের। এলাকায় আগে থেকে কোনো পরিকল্পনা করে এই খুনের ঘটনা ঘটানো হয়েছে কি না, এবং এই ঘটনার নেপথ্যে বড় কোনো চক্র রয়েছে কি না, তা নিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।

জোরকদমে দল গঠন! ইমামির বিদায়ের পর ইস্টবেঙ্গলের ভরসা জুপিটার,

ঝাড়গ্রামে সিআইএসএফ-এর গুলিতে জখম দুই বালি খাদান কর্মী, শুরু তদন্ত