Earthquake: প্রবল বৃষ্টির রাতেই ভূমিকম্পে কাঁপল শিলিগুড়ি, আতঙ্কে রাস্তায় মানুষ

পারমিতা রায়, শিলিগুড়ি: প্রবল বৃষ্টি, বজ্রপাত এবং মেঘগর্জনের মধ্যেই রবিবার গভীর রাতে আচমকা ভূমিকম্পের কম্পনে (Earthquake) কেঁপে উঠল শিলিগুড়ি শহর ও সংলগ্ন একাধিক এলাকা। রাত প্রায় ১১টা ৭ ...

By Paramita Roy

Published:

Follow Us
earthquake-tremors-felt-in-siliguri-amid-heavy-rain

পারমিতা রায়, শিলিগুড়ি: প্রবল বৃষ্টি, বজ্রপাত এবং মেঘগর্জনের মধ্যেই রবিবার গভীর রাতে আচমকা ভূমিকম্পের কম্পনে (Earthquake) কেঁপে উঠল শিলিগুড়ি শহর ও সংলগ্ন একাধিক এলাকা। রাত প্রায় ১১টা ৭ মিনিট থেকে ১১টা ৮ মিনিটের মধ্যে কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী এই কম্পন অনুভূত হতেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, হঠাৎ করেই বাড়িঘর, দরজা-জানলা, আসবাবপত্র এবং বৈদ্যুতিক সামগ্রী কেঁপে উঠতে শুরু করে। রাতের ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে আচমকা এই কম্পনে অনেকেই ভয় পেয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে খোলা জায়গায় আশ্রয় নেন। শিলিগুড়ি শহরের পাশাপাশি আশপাশের একাধিক এলাকা থেকেও কম্পন অনুভূত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে।

   

রাতের খারাপ আবহাওয়ার কারণে আতঙ্ক আরও বেড়ে যায়। অনেকেই প্রথমে বজ্রপাতের প্রভাব ভেবে বিষয়টি গুরুত্ব না দিলেও পরে ভূমিকম্পের কম্পন অনুভূত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। সামাজিক মাধ্যমেও মুহূর্তের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে যায়। বহু মানুষ নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা পোস্ট করেন।

যদিও এখনও পর্যন্ত ভূমিকম্পের মাত্রা বা এর উৎসস্থল সম্পর্কে সরকারি ভাবে কোনও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। এছাড়াও কোথাও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি বলেও প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে সতর্কতামূলকভাবে পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, উত্তরবঙ্গ ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলের অন্তর্গত হওয়ায় মাঝেমধ্যেই হালকা থেকে মাঝারি কম্পন অনুভূত হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, হিমালয় সংলগ্ন টেকটোনিক প্লেটের নড়াচড়ার কারণেই এই অঞ্চলে ভূমিকম্পের প্রবণতা বেশি।

রবিবার রাতের এই কম্পনের পর স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন শহরবাসী। অনেকেই গভীর রাত পর্যন্ত ঘরের বাইরে অবস্থান করেন। তবে বড় ধরনের কোনও দুর্ঘটনা না ঘটায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

Paramita Roy

I am Paramita Roy, a field reporter with a strong passion for journalism and storytelling. I began my professional journey with Uttarbanga Sambad, where I worked in print media for five years, gaining extensive experience in news reporting and field coverage. Currently, I am expanding my expertise in digital journalism and portal-based news reporting, adapting to the evolving media landscape while continuing to deliver accurate and impactful stories.

Follow on Google