রাজ্যকে মোদী সরকারের বড় উপহার! হলদিয়া বন্দরে এবার ইমিগ্রেশন চেক পোস্ট

কলকাতা/হলদিয়া: পশ্চিমবঙ্গকে বড় উপহার দিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার। রাজ্যের বাণিজ্য ও পর্যটন শিল্পে নয়া জোয়ার আনতে এবার পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়া বন্দরে তৈরি হচ্ছে ইমিগ্রেশন…

কলকাতা/হলদিয়া: পশ্চিমবঙ্গকে বড় উপহার দিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার। রাজ্যের বাণিজ্য ও পর্যটন শিল্পে নয়া জোয়ার আনতে এবার পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়া বন্দরে তৈরি হচ্ছে ইমিগ্রেশন চেক পোস্ট (Immigration Check Post) বা অভিবাসন পরীক্ষাকেন্দ্র। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। এতদিন দেশের ৪০টি বন্দরে এই সুবিধা ছিল, এবার ৪১ তম ইমিগ্রেশন চেক পোস্ট হিসেবে তালিকায় যুক্ত হল হলদিয়ার নাম। (haldia ports immigration check post)

কী এই ইমিগ্রেশন চেক পোস্ট? সুবিধা কী?

হলদিয়া বন্দরে প্রতিদিন দেশ-বিদেশের প্রচুর কার্গো ও বাণিজ্যিক জাহাজ যাতায়াত করে। এই জাহাজগুলির মাধ্যমে মালপত্র আনা-নেওয়ার কাজে বহু বিদেশি ক্রু বা নাগরিক যুক্ত থাকেন। এতদিন তাঁদের বন্দরে বা শহরে ঢোকার অনুমতি ছিল না, কাজ সেরেই ফিরে যেতে হত। কিন্তু নতুন এই চেক পোস্ট চালু হওয়ার ফলে, এবার থেকে বিদেশি নাগরিকরা নিজেদের বৈধ পরিচয়পত্র এবং প্রয়োজনীয় নথি দেখিয়ে সহজেই ভিতরে প্রবেশ করতে পারবেন।

   

বাণিজ্য ও পর্যটনে জোয়ারের আশা

গত সোমবার, ২২ জুন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ‘অভিবাসন ও বিদেশি আইন, ২০২৫’-এর অধীনে এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, কেন্দ্রের এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ফলে পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতিতে ব্যাপক ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক বাণিজ্যের প্রসারের পাশাপাশি, পূর্ব ভারতে ক্রুজ পর্যটন এবং বিদেশি পর্যটকদের যাতায়াতে নতুন গতি আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।

হলদিয়া বন্দরের প্রেক্ষাপট

কলকাতা বন্দরের ওপর থেকে পণ্য পরিবহণের চাপ কমাতে ১৯৬৮ সালে এই হলদিয়া ডক কমপ্লেক্স গড়ে তোলা হয়েছিল। এরপর ১৯৭৭ সাল থেকে এখানে পুরোদমে আন্তর্জাতিক স্তরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। এবার ইমিগ্রেশন চেক পোস্টের মর্যাদা পাওয়ায় আন্তর্জাতিক পর্যটন ও বাণিজ্যের মানচিত্রে হলদিয়ার গুরুত্ব আরও একধাপ বেড়ে গেল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।