বারুইপুর: বারুইপুরের সূর্যপুরে ১২ বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় অবশেষে বড় সাফল্য পেল পুলিশ। দীর্ঘ তল্লাশির পর সোমবার রাতে বারুইপুর বাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার ঘটনার ‘মূল চক্রী’ আনন্দ সর্দার৷ এই মামলায় ধৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল তিন।
মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তা
এই নৃশংস ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় শুরু হয়। মৃত নাবালিকার পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা বলার সময় মুখ্যমন্ত্রী কড়া বার্তা দিয়েছেন। তিনি পরিবারের সদস্যদের আশ্বাস দিয়ে জানিয়েছেন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হবে এবং দোষীদের কোনোভাবেই রেয়াত করা হবে না। খুনের এই ঘটনায় অপরাধীদের ‘ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট’ বা মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করার কথাও বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
প্রশাসনিক কড়াকড়ি
ঘটনার আকস্মিকতা এবং স্থানীয় স্তরে জনরোষের পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রশাসন বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করেছে। বারুইপুর ও সংলগ্ন এলাকায় বিএসএন (BNS)-এর ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে। মূলত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি রুখতে বারুইপুর, সোনারপুর এবং নরেন্দ্রপুর থানা এলাকাকে এই ধারার আওতায় আনা হয়েছে। জনসভা বা চার জনের বেশি জমায়েতের ওপর কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে পুলিশ।
তদন্তের পরবর্তী ধাপ
সূত্রের খবর, মূল অভিযুক্ত আনন্দ সর্দারকে জেরা করে এই ঘটনার নেপথ্যে থাকা অন্যান্য তথ্যের খোঁজে নেমেছেন তদন্তকারীরা। গত কয়েক দিনে এই ঘটনাকে ঘিরে বারুইপুর কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল। পুলিশ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে শান্ত থাকার আবেদন জানানো হয়েছে। অভিযুক্তের গ্রেফতারি এবং মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাসের পর এলাকায় কিছুটা উত্তেজনা প্রশমিত হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখতে এলাকায় পুলিশি টহলদারি বাড়ানো হয়েছে।
বারুইপুর কাণ্ড: দোষীদের ‘ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট’ দেওয়ার আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর
বারুইপুর নাবালিকা মৃত্যু কাণ্ডে ধৃত বেড়ে ২


