‘বিশ্বকাপ’ এবার বাঙালির ঘরে ঘরে ! ভাইফোঁটাতে চমক মিষ্টির দোকানে

বাঙালির ফুটবল কে ঘিরে যেমন আবেগ তেমন আবেগ ক্রিকেটকে ঘিরেও। আবার তা যদি হয় বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতা তাকে ঘিরে বাড়তি উৎসাহ উদ্দীপনাতে থাকেই। ক্রিকেট বিশ্বকাপের…

বাঙালির ফুটবল কে ঘিরে যেমন আবেগ তেমন আবেগ ক্রিকেটকে ঘিরেও। আবার তা যদি হয় বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতা তাকে ঘিরে বাড়তি উৎসাহ উদ্দীপনাতে থাকেই। ক্রিকেট বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছে গেছে ভারত। বাকি আর দুটো খেলা। দলে পারফরমেন্সে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে গোটা ভারত। তৃতীয়বারের জন্য ভারতের হাতে কাপ তুলে দিতে পারে বিরাট রোহিতরা। দিওয়ালি উৎসব ভাইফোঁটার মিষ্টিতে এবার সেই চমক হুগলির ব্যান্ডেলের এক মিষ্টান্ন প্রতিষ্ঠানের। বিশ্বকাপ ২০২৩ এর রেপ্লিকা তৈরি হয়েছে ক্ষীর সন্দেশ দিয়ে। ছোট বড় বিভিন্ন আকারের বিশ্বকাপ মিষ্টি পাওয়া যাচ্ছে ওখানে। ভাইফোঁটা স্পেশাল হিসাবে দেদার বিক্রি হচ্ছে সেই মিষ্টি। এবার ভাইফোঁটায় চিরাচরিত খাজা গজা লবঙ্গ লতিকা, ক্ষীর সুন্দরী তো আছেই।

এবার যেহেতু বিশ্বকাপ চলছে তাই চারিদিকে ক্রিকেট ঝড়। আর সেই বিশ্বকাপের আগমন মিষ্টির ওপর বাড়তি নজর দেওয়া হয়েছে। ভাইফোটায় ক্রেতা আকর্ষণের জন্য অনুষ্ঠিত চমক দেওয়া হয়েছে। ছোট বিশ্বকাপ মিষ্টির দাম ৫০ টাকা। অনেকেই মিষ্টি পছন্দ করে কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। ভারত বিশ্বকাপ জিতবে এ ব্যাপারে দ্বিমত নেই। আর বিশ্বকাপ জিতলে মিষ্টিমুখ তো হবেই। ক্ষীর এবং সন্দেশ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে ২০২৩ এর আইসিসি বিশ্বকাপ ট্রফির রেপ্লিকা। তা দেখার জন্য ভিড় জমাচ্ছেন প্রচুর মানুষ। ট্রেডিশনাল মিষ্টি তো আছেই তাছাড়া অন্যান্য নানা ধরনের মিষ্টি ক্রেতা আকর্ষণ করছে দোকানে।

দেশে বিশ্বকাপ তো আসবেই তার আগেই ঘরে ঘরে বিশ্বকাপ পৌঁছে দিচ্ছেন মিষ্টান্ন বিক্রেতারা। এক মিষ্টান্ন বিক্রেতার কথায়, “আমরা বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখেই এই মিষ্টিগুলো বানিয়েছি। বেশ ভালো পারফরম্যান্সে আছে তাই বিশ্বকাপের বিষয়ে আশাবাদী হয়ে আমরা এই মিষ্টি বানিয়েছি। এ মিষ্টির চাহিদা দেখা গেছে মানুষের মিষ্টি গুলো পছন্দও করছে। এ মিষ্টি নিয়ে মানুষের মধ্যে উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। ওয়ার্ল্ড কাপ নিয়ে যাচ্ছে বাড়িতে বাড়িতে।”

এক মিষ্টি ক্রেতা বিশ্বকাপ মিষ্টি দেখে জানাচ্ছেন, “বিশ্বকাপে দেখে আমি খুব খুশি হয়েছি ট্রেডিশনাল মিষ্টিতে আমরা দেখেই থাকি কিন্তু এই মিষ্টি মানুষের মনের খুব কাছের। বিশ্বকাপ নিয়ে বাঙালির মনে এত উন্মাদনা তাতেই মিষ্টির চাহিদা আরো বাড়ছে। এটা যেন সেই বাড়িতে ওয়ার্ল্ড কাপ নিয়ে যাওয়ার মতো।”