শিয়ালদহ: যাত্রীদের জন্য বড় ঘোষণা করল পূর্ব রেলওয়ে৷ হাওড়া ও শিয়ালদহ শাখায় যাত্রীদের বাড়তি চাপ কমাতে একসঙ্গে ১৮টি অসংরক্ষিত স্পেশাল ট্রেন (Special Trains) চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, এই নতুন পরিষেবা চালু হলে অফিসযাত্রী ও নিত্য যাত্রীদের যাতায়াত অনেকটাই সহজ হবে৷
বিশেষ করে হাওড়া ও শিয়ালদহ স্টেশনকে কেন্দ্র করে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক মানুষ যাতায়াত করেন। সকাল ও সন্ধ্যার ব্যস্ত সময়ে এই দুই স্টেশনে যাত্রীচাপ অত্যন্ত বেশি থাকে। সেই ভিড় কমাতেই এই অতিরিক্ত স্পেশাল ট্রেন চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। হাওড়া লাইনে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ জেলা শহরের সঙ্গে নতুন ট্রেন পরিষেবা যুক্ত হয়েছে। বরাকর, আসানসোল, দুর্গাপুর, সিউড়ি, মালদা টাউন, নিউ ফারাক্কা, মুরারাই এবং কাটোয়া থেকে হাওড়াগামী ট্রেন চলবে।
ট্রেনগুলি হল—
০৩৫৪০ বরাকর – হাওড়া স্পেশাল: বরাকর থেকে রাত ২০:৫৫ ছেড়ে ভোর ০২:৪৫ হাওড়া পৌঁছবে।
০৩৫৪২ আসানসোল – হাওড়া স্পেশাল: রাত ১২:০০ ছেড়ে ০৩:৫৫ হাওড়া।
০৩৫৪৪ দুর্গাপুর – হাওড়া স্পেশাল: ২১:৫৫ ছেড়ে ০৩:১৫ হাওড়া।
০৩৪২০ মালদা টাউন – হাওড়া স্পেশাল: ২১:১০ ছেড়ে ০৫:১০ হাওড়া।
০৩৪২২ নিউ ফারাক্কা – হাওড়া স্পেশাল: ২১:০০ ছেড়ে ০৪:৩০ হাওড়া।
০৩০২০ মুরারাই – হাওড়া স্পেশাল: ২১:০০ ছেড়ে ০২:০০ হাওড়া।
০৩০২২ কাটোয়া – হাওড়া স্পেশাল: সকাল ০৬:০০ ছেড়ে ১০:২০ হাওড়া।
শিয়ালদহ শাখাতেও বাড়তি ট্রেন
শিয়ালদহ রুটেও একাধিক নতুন স্পেশাল ট্রেন চালু করা হয়েছে। পলাশী, কাকদ্বীপ, বসিরহাট, রানাঘাট, বনগাঁ, ক্যানিং, লালগোলা, গেদে এবং শান্তিপুর থেকে শিয়ালদহে এই ট্রেনগুলি চলবে।
০৩১২০ পলাশী – শিয়ালদহ স্পেশাল: সকাল ০৬:০০ ছেড়ে ১১:০০ শিয়ালদহ।
০৩১২১ কাকদ্বীপ – শিয়ালদহ স্পেশাল: ০৭:৫০ ছেড়ে ১০:৩০ শিয়ালদহ।
০৩১২৪ বসিরহাট – শিয়ালদহ স্পেশাল: ০৭:০০ ছেড়ে ১০:১৫ শিয়ালদহ।
০৩১৩৮ রানাঘাট – শিয়ালদহ স্পেশাল: ০৬:৪৫ ছেড়ে ০৯:১৫ শিয়ালদহ।
০৩১৪০ বনগাঁ – শিয়ালদহ স্পেশাল: ০৬:০০ ছেড়ে ০৯:০০ শিয়ালদহ।
০৩১৪৩ ক্যানিং – শিয়ালদহ স্পেশাল: ০৮:০০ ছেড়ে ১০:০০ শিয়ালদহ।
০৩১৬০ গেদে – শিয়ালদহ স্পেশাল: ০৬:০০ ছেড়ে ০৯:৩০ শিয়ালদহ।
০৩১৬৬ শান্তিপুর – শিয়ালদহ স্পেশাল: ০৭:৩০ ছেড়ে ১০:৩০ শিয়ালদহ।
রেল জানিয়েছে, এই ট্রেনগুলির অধিকাংশই পথের বিভিন্ন ছোট-বড় স্টেশনে থামবে। ফলে জেলার বহু যাত্রী সরাসরি কলকাতায় পৌঁছতে পারবেন। নতুন এই স্পেশাল ট্রেন পরিষেবা চালু হওয়ায় প্রতিদিনের যাত্রীদের ভিড় অনেকটাই কমবে বলে আশাবাদী রেল কর্তৃপক্ষ৷ পাশাপাশি কলকাতা ও জেলার মধ্যে যোগাযোগ আরও সহজ ও দ্রুত হবে। ভবিষ্যতে যাত্রী চাহিদা বাড়লে আরও অতিরিক্ত ট্রেন চালুর কথাও ভাবা হবে বলে জানিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ৷



