খড়গপুর: রাজ্যে পালাবদল হলেই অপরাধীদের দমনে চলবে যোগীর ‘বুলডোজার’! শুধু তাই নয়, ‘বন্দে মাতরম’ স্লোগানের বিরোধিতা করলে সরাসরি দেশছাড়া করারও চরম হুঁশিয়ারি দিলেন বিজেপির দাপুটে নেতা দিলীপ ঘোষ। সোমবার খড়গপুরে একেবারে নিজের চেনা মেজাজে ফিরে এভাবেই রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে তুলোধোনা করলেন তিনি।
এদিন জোড়াফুল শিবিরকে বিঁধতে রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের একটি পুরনো মন্তব্যের রেশ টেনে আনেন দিলীপ। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “গুজরাট, ইউপি বা বিহারে তো রামরাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে কি কোনও মুসলমানকে কেটে ফেলা হয়েছে?” তাঁর স্পষ্ট দাবি, তৃণমূল শাসিত বাংলায় বিভাজনের রাজনীতি চলছে। বরং বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতেই সংখ্যালঘুরা অনেক বেশি সুরক্ষিত এবং কর্মসংস্থানের জন্য তাঁরা সেখানেই পাড়ি দিচ্ছেন।
তবে শুধু আইনশৃঙ্খলা নয়, ভাষা ও তোষণ ইস্যুতেও সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন দিলীপ ঘোষ। ইদের জমায়েতে মুখ্যমন্ত্রীর উর্দু ভাষণের তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, “আমাদের বহিরাগত বলা হয়, অথচ খোদ মুখ্যমন্ত্রী ইদের নমাজে গিয়ে উর্দুতে ভাষণ দেন। বাংলায় থাকতে হলে বাংলা শিখতেই হবে।” পাশাপাশি, ‘বন্দে মাতরম’ স্লোগান প্রসঙ্গে তাঁর সাফ কথা, দেশের স্বাধীনতার সঙ্গে যুক্ত এই আবেগের বিরোধিতা যারা করবে, তাদের দেশছাড়া করা উচিত।
দুর্নীতি ইস্যুতেও এদিন সুর চড়ান তিনি। কেন্দ্রীয় এজেন্সির অতিসক্রিয়তার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে তিনি জানান, দুর্নীতির সঙ্গে যুক্তদের জেলে যেতেই হবে, এর সঙ্গে ভোটের কোনও সম্পর্ক নেই। সব মিলিয়ে, ভোটের মুখে দিলীপ ঘোষের এই আগ্রাসী মেজাজে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।




















