মদের দোকান নিয়ে বড় ঘোষণা শুভেন্দুর! কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

কলকাতা: বাংলায় জমানা বদলের পর এবার রাজ্যের আবগারি নীতিতেও এক ঐতিহাসিক ও বড়সড় রদবদল ঘটালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার কল্যাণীর প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, ...

By Moumita Biswas

Published:

Follow Us
the swearing in ceremony is scheduled for monday

কলকাতা: বাংলায় জমানা বদলের পর এবার রাজ্যের আবগারি নীতিতেও এক ঐতিহাসিক ও বড়সড় রদবদল ঘটালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার কল্যাণীর প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ধর্মীয় ভাবাবেগকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবে নতুন সরকার। তাই এবার থেকে কোনও স্কুল, কলেজ কিংবা মন্দিরের ১ কিলোমিটারের মধ্যে নতুন করে কোনও মদের দোকান খোলার লাইসেন্স বা অনুমতি দেওয়া হবে না। নতুন সরকারের এই ‘ড্রাই জোন’ নীতি রাজ্যের সামাজিক পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে এক মাস্টারস্ট্রোক বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। (cm suvendu adhikari announce regarding liquor shops)

স্বাস্থ্যসাথী টু আয়ুষ্মান, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার টু অন্নপূর্ণা

এদিনের বৈঠক থেকে মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, পূর্ববর্তী জমানার একাধিক জনপ্রিয় সামাজিক প্রকল্পে বড়সড় রূপান্তর আনা হচ্ছে। ‘স্বাস্থ্যসাথী’ প্রকল্পকে এবার কেন্দ্রীয় যোজনা ‘আয়ুষ্মান ভারত’-এর সঙ্গে এবং ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’-কে ৩,০০০ টাকার ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’-এর সঙ্গে মার্জ বা যুক্ত করার প্রক্রিয়া অফিশিয়ালি শুরু হয়ে গিয়েছে।

   

বুধবার বিকেলে ফর্ম আনছেন শুভেন্দু-অগ্নিমিত্রা

শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট করেছেন, আগামীকাল (বুধবার) বিকেলবেলা নবান্ন থেকে সংশ্লিষ্ট দফতরের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালকে সঙ্গে নিয়ে তিনি নিজেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের নতুন ফর্ম প্রকাশ করবেন। নতুন নিয়মে ৩,০০০ টাকা পেতে গেলে এই ফর্মটি পূরণ করা প্রত্যেক উপভোক্তার জন্য বাধ্যতামূলক। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কাল থেকেই এই প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। এনরোলমেন্ট যত দ্রুত করবেন, তত তাড়াতাড়ি বেনিফিট পাবেন। ফর্ম জমা পড়লেই ধাপে ধাপে সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৩,০০০ টাকা ট্রান্সফার করা হবে। তবে মাথায় রাখবেন, অন্নপূর্ণার টাকা পুরোপুরি চালু না হওয়া পর্যন্ত পুরনো লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের অর্থও আগের মতোই অ্যাকাউন্টে ঢুকতে থাকবে।”

 

Moumita Biswas

দীর্ঘদিন ধরে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত। হাতেখড়ি হয়েছিল ‘একদিন’ সংবাদপত্র থেকে। দেশ ও রাজ্য রাজনীতির পাশাপাশি নানা বিষয়ে বিশ্লেষণধর্মী লেখা করেন।

Follow on Google