কলকাতা: গতকাল ধর্মতলা চত্বরে ঘটে যাওয়া তীব্র সংঘর্ষ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের হেনস্তার ঘটনার জেরে রাজ্য রাজনীতিতে চরম শোরগোল শুরু হয়েছে। এই বিষয়ে আজ বিধানসভার অন্দরে মুখ খুলে কঠোর আইনি পদক্ষেপের বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। গতকালের জমায়েত ও বিশৃঙ্খলার নেপথ্যে থাকা শক্তির সমালোচনা করে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, এই হিংসার ঘটনায় জড়িতদের কাউকেই বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।
আইন ভেঙে বিশৃঙ্খলা ও পুলিশের ভূমিকা
পুলিশ প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার দুপুরে ডোরিনা ক্রসিং চত্বরে প্রায় কোনও পূর্বানুমতি ছাড়াই বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ছাত্র সংগঠনের ব্যানার নিয়ে একটি বিরাট জনস্রোত এসে জমা হয়। পুলিশের দাবি, জমায়েত সরাতে বলা হলেও উসকানিমূলক স্লোগান ও আচরণের জেরে পরিস্থিতি দ্রুত হাতের বাইরে চলে যায়। বিক্ষোভকারীদের দিক থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাথর ও জলের বোতল ছোড়ার পাশাপাশি পথচারী এবং সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের ওপরও চড়াও হওয়ার অভিযোগ ওঠে। তবে এতৎসত্ত্বেও পুলিশ চূড়ান্ত সংযম বজায় রেখেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেছে বলে বিধানসভায় উল্লেখ করা হয়েছে।
৭০ জন চিহ্নিত, কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি
সাংবাদিকদের ওপর চালানো শারীরিক নিগ্রহের ঘটনায় ইতিমধ্যে পুলিশের পক্ষ থেকে একাধিক সুয়োমোটো বা স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করা হয়েছে। এই পুরো হিংসাত্মক ঘটনার নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদের ভিডিও ফুটেজ ও অন্যান্য প্রমাণের ভিত্তিতে ৭০ জনকে সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এদের মধ্যে একাধিক অভিযুক্তকে চিহ্নিত করে বিধানসভার মেঝে থেকেই নাম তুলে ধরেছেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি, সমাজবিরোধীদের দমন করতে কঠোরতম আইন প্রয়োগের কথা ঘোষণা করে সাফ জানানো হয়েছে যে, ভবিষ্যতে এ ধরনের অপকর্ম করার কথা ভাবলেও যেন অপরাধীদের তিন পুরুষ পর্যন্ত তা মনে থাকে।
একদিকে যখন বিরোধী সংগঠনগুলোর এই জমায়েত এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ ঘিরে শহর জুড়ে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে, ঠিক তখনই সরকারের তরফ থেকে এই ধরনের কঠোর বার্তা পরিস্থিতিকে নতুন মোড় দিয়েছে।
বাড়ি সংক্রান্ত নথি তলব! আজই পুরসভার দফতরে যেতে পারেন অভিষেকের বাবা
জোরকদমে দল গঠন! ইমামির বিদায়ের পর ইস্টবেঙ্গলের ভরসা জুপিটার,





