বুধবার বারুইপুরে নিহত কিশোরীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে পৌঁছন প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ ও প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী (Adhir Ranjan Choudhury) । নিহতের বাড়িতে গিয়ে তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন এবং তাঁদের শোক ও দুঃখের সময় পাশে থাকার আশ্বাস দেন। ঘটনার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে পরিবারের কাছ থেকে বিস্তারিত জানার পাশাপাশি, তদন্তের অগ্রগতি নিয়েও খোঁজখবর নেন তিনি।
পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাতের পর অধীররঞ্জন চৌধুরী(Adhir Ranjan Choudhury) বলেন, এই ধরনের ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক এবং সমাজের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়। তাঁর মতে, এমন অপরাধের নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্ত হওয়া জরুরি, যাতে প্রকৃত দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা যায়। তিনি দাবি করেন, তদন্তে কোনও ধরনের গাফিলতি বা রাজনৈতিক প্রভাব যেন না থাকে এবং আইন অনুযায়ী দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
অধীররঞ্জন চৌধুরী (Adhir Ranjan Choudhury) আরও বলেন, একটি পরিবারের কাছে সন্তানের মৃত্যু অপূরণীয় ক্ষতি। এই শোক কোনওভাবেই পূরণ হওয়ার নয়। তাই শুধু সমবেদনা জানানোই যথেষ্ট নয়, প্রশাসনের উচিত ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে সত্য সামনে আনা এবং পরিবারকে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। তিনি জানান, নিহত কিশোরীর পরিবারের মানসিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে তাঁদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও নিরাপত্তা দেওয়াও প্রশাসনের দায়িত্ব।
এদিন অধীররঞ্জন চৌধুরীর সফরকে ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তবে তিনি পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎকেই মূল উদ্দেশ্য বলে উল্লেখ করেন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি তাঁদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান এবং বিচার প্রক্রিয়ার ওপর আস্থা রাখার কথাও বলেন। একই সঙ্গে তিনি প্রশাসনের কাছে দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের সঙ্গেও কথা বলেন অধীররঞ্জন চৌধুরী। তাঁদের কাছ থেকেও ঘটনার প্রেক্ষাপট ও এলাকার পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চান তিনি। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ঘটনার পর থেকে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে এবং মানুষ দোষীদের দ্রুত শাস্তির দাবি জানাচ্ছেন। অধীররঞ্জন চৌধুরী বলেন, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা প্রশাসনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।





