সাতজন ভূমিপুত্র হলে আরও ভাল হত: নবাব ভট্টাচার্য

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতজন ভূমিপূত্রকেকে খেলানোর নিয়ম চালু করতে চেয়েছিল বঙ্গীয় ফুটবল নিয়ামক সংস্থা। কিন্তু ময়দানের তথাকথিত বড় ক্লাবের পক্ষ থেকে এই দাবির বিরোধিতা করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ফলত ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Follow Us
United SC Official Nabab Bhattacharya

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতজন ভূমিপূত্রকেকে খেলানোর নিয়ম চালু করতে চেয়েছিল বঙ্গীয় ফুটবল নিয়ামক সংস্থা। কিন্তু ময়দানের তথাকথিত বড় ক্লাবের পক্ষ থেকে এই দাবির বিরোধিতা করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ফলত ঘরোয়া লিগে সাতজন ভূমিপুত্রকে খেলানোর প্রস্তাব ধোপে টেকেনি। শেষ পর্যন্ত চারজন ভূমিপুত্রকে প্রথম একাদশের খেলার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সাতজন কেন নয়? প্রথম একাদশে আরও বেশি ভূমিপুত্র খেলানো হলে হয়তো বাংলার ফুটবলের লাভ হতো।

আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত বলেছেন, “সেটা না হওয়া বড় ধাক্কা। চেষ্টা করবো পরের বছর সংখ্যা বাড়ানোর।”
কলকাতার তথা কথিত বড় দলের সমর্থকরা ভূমিপুত্র সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে দ্বিধা বিভক্ত। বৈঠকে হওয়া এই সিদ্ধান্তের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল নবাব ভট্টাচার্যকে। তিনি বলেছেন, “সাতজন বলে ভালো হতো।”

   

গতবার কলকাতা ফুটবল লিগ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল বিদেশি ফুটবলারদের। উদ্দেশ্য ভারতীয় প্রতিভা তুলে নিয়ে আসা। এই সিদ্ধান্তকে সাদরে গ্রহণ করেছিলেন অনেকে। কলকাতা ফুটবল লিগ হয়েছিল বেশ উত্তেজক। বিদেশিবিহীন লিগ খেলানোর সিদ্ধাতের সঙ্গে ভূমিপুত্র সংক্রান্ত নতুন এই সিদ্ধান্ত কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ?

“বিদেশি ফুটবলারহীন লিগ খেলানোর সিদ্ধান্ত সত্যি ভালো। ভারতীয় প্রতিভা আরও বেশি করে উঠে আসার জায়গা পেয়েছে। সেই সঙ্গে সাতজন ভূমি পুত্র হলে বোধহয় আরও ভালো হতো। ঘরের ছেলেদের খেলার জায়গা আরও বাড়তে পারতো”, বলেছেন নবাব ভট্টাচার্য।

“বড় ক্লাবকে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ভাবনা নিয়ে দল গড়তে হয়। তাই হয়তো সাতজন ভূমিপুত্র নিয়ে মাঠে নামতে চাইছে না তারা। তবে আমি কোনোটাতেই অখুশি নই। চারজন হলেও খুশি, সাতজন হলেও খুশি।”

ভিডিও নিউজ দেখুন

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google