Home West Bengal ভাঙড়ে দুষ্কৃতীদের হামলা, তৃণমূল কর্মীর দোকানে আগুন

ভাঙড়ে দুষ্কৃতীদের হামলা, তৃণমূল কর্মীর দোকানে আগুন

Fire Breaks Out at Ex-Central Minister’s Home, Neighborhood in Alarm
Fire Breaks Out at Ex-Central Minister’s Home, Neighborhood in Alarm

দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড় এলাকায় ফের রাজনৈতিক উত্তেজনার আবহ তৈরি হয়েছে। নলমুড়ি এলাকায় এক তৃণমূল কর্মীর দোকানে অগ্নিসংযোগের ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, মইবুল মোল্লা নামে এক তৃণমূল (TMC) কর্মীর ইলেকট্রিক রিপিয়ারিং দোকানে গভীর রাতে দুষ্কৃতীরা আগুন লাগিয়ে দেয়। এই ঘটনায় স্থানীয়ভাবে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে আইএসএফের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে। যদিও আইএসএফ এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে।

Read More: বুথফেরত সমীক্ষায় আস্থা নেই! ৪ মে-র আগে উচ্ছ্বাস চেপে ‘ধীরে চলো’ নীতি বিজেপির

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নলমুড়ি এলাকার বাসিন্দা মইবুল মোল্লা দীর্ঘদিন ধরে একটি ছোট ইলেকট্রিক মেরামতির দোকান চালাতেন। এলাকার মানুষের কাছে তিনি পরিচিত মুখ। (TMC) অভিযোগ, বুধবার গভীর রাতে হঠাৎই তাঁর দোকান থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং দোকানের বেশিরভাগ অংশ পুড়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন, কিন্তু ততক্ষণে অনেকটাই ক্ষয়ক্ষতি হয়ে যায়। ঘটনার পরেই শুরু হয় রাজনৈতিক চাপানউতোর। তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্বের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে এবং এর পেছনে আইএসএফ সমর্থিত দুষ্কৃতীরা জড়িত। (TMC) তাদের দাবি, এলাকায় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই ধরনের হামলার ঘটনা ঘটানো হচ্ছে। অন্যদিকে, আইএসএফের পক্ষ থেকে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বলা হয়েছে, তাদের দল বা কর্মীদের কোনও ভূমিকা নেই এই ঘটনায়। বরং তাদের দাবি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের নাম জড়ানো হচ্ছে।

   

Read More: স্ট্রংরুমে কারচুপি? শশী-কুণালের অভিযোগ পত্রপাঠ খারিজ কমিশনের

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় (TMC) বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়। অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, এই ধরনের ঘটনা এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলার পক্ষে ক্ষতিকর এবং ভবিষ্যতে আরও বড় সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি করতে পারে। খবর পেয়ে ভাঙড় থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আগুন লাগার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ সামনে এলেও, সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে তবেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এছাড়া, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও খতিয়ে দেখছে। স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী, দোকানের বেশ কিছু যন্ত্রপাতি, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম এবং অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র পুড়ে গেছে, যার ফলে বড়সড় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন মইবুল মোল্লা। তাঁর পরিবারও এই ঘটনায় মানসিকভাবে বিপর্যস্ত।

Follow on Google