
কলকাতা: ভোটের লড়াই এখন বুথ ছাড়িয়ে স্ট্রংরুমের দোরগোড়ায়। কলকাতার ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে ইভিএম (EVM) রাখা নিয়ে বৃহস্পতিবার রাতভর চলল চরম নাটকীয়তা৷ স্ট্রংরুমের ভেতরে ‘অস্বাভাবিক’ গতিবিধির অভিযোগ তুলে বাইরে ধর্নায় বসেন তৃণমূল প্রার্থী শশী পাঁজা এবং কুণাল ঘোষ৷ যদিও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে জানানো হয়েছে, সেখানে কোনও নিয়মভঙ্গ হয়নি৷
তৃণমূলের অভিযোগ ও বিক্ষোভ
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে স্ট্রংরুমের বাইরে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চালাচ্ছেন তৃণমূল কর্মীরা৷ এরই মাঝে কুণাল ঘোষ অভিযোগ করেন, স্ট্রংরুমের ভেতরে কাজ চললেও তাঁদের কোনও প্রতিনিধিকে সেখানে ঢুকতে দেওয়া হয়নি৷ তৃণমূলের পক্ষ থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় দাবি করা হয়, কমিশনের যোগসাজশে ব্যালট বক্স খোলার চেষ্টা করছে বিজেপি৷ একে ‘গণতন্ত্রের হত্যা’ বলেও তোপ দেগেছে ঘাসফুল শিবির৷
কমিশনের পাল্টা জবাব EVM strongroom controversy Kolkata
তৃণমূলের এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে কমিশন, পশ্চিম মেদিনীপুরের সার্কেল অফিসার জানিয়েছেন, ভোটগ্রহণ শেষে প্রার্থী ও এজেন্টদের উপস্থিতিতেই স্ট্রংরুম যথাযথভাবে সিল করা হয়েছিল। শেষ স্ট্রংরুমটি শুক্রবার ভোর সোয়া ৫টা নাগাদ বন্ধ করা হয়েছে। পোস্টাল ব্যালট এবং ইটিবিপিএস (ETBPS) সেগ্রিগেশনের কাজ করিডোরে চলছিল, যার কথা ইমেলের মাধ্যমে আগেই রাজনৈতিক দলগুলোকে জানানো হয়েছিল।
কমিশন আরও জানিয়েছে, স্ট্রংরুম পুরোপুরি সুরক্ষিত রয়েছে এবং বিষয়টি শশী পাঁজা ও কুণাল ঘোষকে ব্যক্তিগতভাবে দেখানোও হয়েছে৷ আগামী ৪ মে ফল ঘোষণার আগে ইভিএম পাহাড়ার এই লড়াই এখন সরগরম করে তুলেছে বাংলার রাজনীতিকে।
আরও পড়ুন- বৃষ্টির বিরাম নেই! আজ ৭ জেলায় কালবৈশাখীর লাল সতর্কতা, কবে থামবে দুর্যোগ?








