স্বরূপ বিশ্বাস গ্রেফতার, বাংলার ক্রীড়ায় দুর্নীতি নিয়ে কড়া নিশীথ প্রামাণিক

আইএফএ সহ-সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাস গ্রেফতারের পর পরিবারতন্ত্র, বেটিং ও ক্রীড়া দুর্নীতি নিয়ে বড় বার্তা দিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক।

By Sports Desk

Published:

Follow Us
nishith-pramanik-warning-after-swarup-biswas-arrest

স্পোর্টস ডেস্ক, কলকাতা: বাংলায় প্রাক্তন সরকারের সময়ে ক্রীড়া প্রশাসনে পরিবারতন্ত্র নিয়ে একাধিকবার প্রশ্ন উঠেছে। তবে রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের পর এই পরিবারতন্ত্র নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছে। ময়দান থেকে পরিবারতন্ত্র সহ অন্যান্য দুর্নীতি দমন করার আশ্বাস দিয়েছেন ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক (Nishith Pramanik)। দায়িত্ব নেওয়ার পর আরও একবার সাংবাদিক সম্মেলন করে ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক খোলাখুলি কথা বললেন একাধিক বিষয় নিয়ে।

Read English: Sports Minister Warns After Swaroop Biswas Arrest Over Bengal Sports Corruption

কলকাতা ফুটবল লিগের প্রিমিয়ার ডিভিশনে একাধিকবার বেটিং চক্র নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। সেই বিষয়ে ক্রীড়ামন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এই বিষয়ে তিনি ভাবনা-চিন্তা করবেন। নিশীথ প্রামাণিক বলেন, “দু’দিন অপেক্ষা করুন, বড় চমক আছে।”

   

বৃহস্পতিবার রাতেই গ্রেফতার হয়েছেন আইএফএ সহ-সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাস। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বাংলার খেলাধূলাকে নষ্ট করেছে। স্বরূপ-অরূপের দুর্নীতি থেকে ক্রীড়ার উন্নয়ন অবশ্যই জরুরি। যারা বাংলার প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে তাদের ছেড়ে কথা বলব না। প্রাথমিক পর্যায়ে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের তুলে আনাই থাকবে আমাদের লক্ষ্য। তাদের পাশে পশ্চিমবঙ্গের ক্রীড়া মন্ত্রনালয়ের পক্ষ থেকে সব সময় দাঁড়ানো হবে। তাঁদের বিকাশে সব রকম সাহায্য করব।”

তিনি আরও বলেন, “যেভাবে সমস্ত ফেডারেশনগুলোতে পরিবারতন্ত্র ঢুকে ছিল সেটাকে পরিস্কার করতে হবে। পাশাপাশি গোটা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে ক্রীড়াক্ষেত্রে প্রসারের চেষ্টা চলছে।” পাশাপাশি সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল ডায়মন্ড হারবার এফসিকে নিয়েও অভিযোগ তুলেছেন ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক।

তিনি বলেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডায়মন্ড হারবার এফসিকে নিয়ে অনেক অভিযোগ জমা পড়েছে। ক্লাবটি নিয়ম মেনে তৈরি হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এছাড়া ক্লাবের টাকা কোথা থেকে আসছে এবং কীভাবে খরচ করা হচ্ছে, তা নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। সমস্ত বিষয়েই তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ক্লাবের স্পনসরদেরও ডেকে কথা বলা হতে পারে। ক্লাবের জন্য টাকা কোথা থেকে আসছে এবং কীভাবে সেই অর্থ দেওয়া হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখা হবে।”

Sports Desk

Follow on Google