ডার্বিতে মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল ড্র, শেষ ম্যাচে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ লাল-হলুদের

mohun-bagan-east-bengal-derby-draw-isl-title-race

সায়ন সেনগুপ্ত, কলকাতা: আজ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে হাইভোল্টেজ ডার্বিকে মুখোমুখি হয়েছিল ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান। প্রথমার্ধে গোলশূন্য ফলাফলের পর দ্বিতীয়ার্ধে গোলের দেখা মিললেও জয় পাওয়া সম্ভব হয়নি কারুর পক্ষেই। ১-১ গোলে শেষ হলো এই ম্যাচ। ইস্টবেঙ্গলের হয়ে গোল করে যান এডমুন্ড লালরিন্ডিকা। অন্যদিকে, মোহনবাগানকে সমতায় এনেছিলেন জেসন কামিন্স। এই ম্যাচের পর পয়েন্ট ভাগাভাগি করে দুই প্রধান মাঠ ছাড়লে ও গোল পার্থক্যের নিরিখে শীর্ষে থাকল ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। আগামী ২১শে মে তাঁদের শেষ ম্যাচ ইন্টার কাশীর বিরুদ্ধে। সেই ম্যাচে জয় আসলে চ্যাম্পিয়ন হবে ইস্টবেঙ্গল।

অন্যদিকে, মোহনবাগানকে তাকিয়ে থাকতে হবে টুর্নামেন্টের বাকি দল গুলির দিকে। এছাড়াও নির্ভর করছে গোল পার্থক্য। তবে আজ প্রথম থেকেই যথেষ্ট ঝাঁঝালো ফুটবলের মধ্য দিয়ে ম্যাচ শুরু করেছিল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। প্রতিপক্ষের মিডফিল্ডারদের টেক্কা দিয়ে অনায়াসেই রক্ষণভাগে হানা দিতে দেখা গিয়েছিল সার্জিও লোবেরার ছেলেদের। কিন্তু গোলের মুখ খোলা সম্ভব হয়নি। প্রভসুখান সিং গিলের নৈপুণ্যে সাক্ষাৎ গোল হজম রোধ করে ইস্টবেঙ্গল ফুটবল দল। তারপর ১৫ মিনিটের মাথায় পাল্টা আক্রমণ। বাগান রক্ষণে হানা দিয়ে গোলের সুযোগ তৈরি করেছিলেন ড্যানিশ ফুটবলার অ্যান্টন সোজবার্গ।

   

isl-derby-half-time-mohun-bagan-east-bengal-goalless

তবে গোল বারে লেগে ফিরে আসে সেই বল। যা কিছুটা হলেও হতাশ করেছে সমর্থকদের। তারপর ২২ মিনিটের মাথায় সুযোগ পেয়েছিলেন বিপিন সিং। কিন্তু বিশাল কাইথ থেকে শুরু করে বাগানের অন্যান্য ফুটবলারদের টেক্কা দিলে ও গোল করতে পারেননি। বরং টম অলড্রেডের তত্ত্বাবধানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তারপর ৩৬ মিনিটের মাথায় সাহাল আব্দুল সামাদ দুরন্ত শট নিলেও সেটা গোলে থাকেনি। এক মিনিটের ব্যবধানে ফের সুযোগ পেয়েছিলেন অ্যান্টন। কিন্তু এবার ও গোলের মুখ খোলা সম্ভব হয়নি। ৪৫ মিনিটের পর অতিরিক্ত ২ মিনিট সময় সংযুক্ত করা হয়েছিল ম্যাচ রেফারির তরফে। কিন্তু বদলায়নি ফলাফল। দ্বিতীয়ার্ধে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে ইউসেফ ইজ্জেজারি‌ থেকে শুরু করে পরবর্তীতে অর্থাৎ ষাট মিনিটের মাথায় এডমুন্ড লালরিন্ডিকা‌রা মাঠে আসলেও গোল আসে ৮৫ মিনিটে।

দলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন এডমুন্ড। তারপর ৮৯ মিনিটের মাথায় কর্নার থেকে দুরন্ত হেড করে দলকে সমতায় এনেছিলেন জেসন কামিন্স। তারপর ও বেশ কয়েকবার সুযোগ এসেছিল দুই দলের কাছে। সহজ সুযোগ নষ্ট করেন জেমি ম্যাকলারেন। প্রভসুখান সিং গিলের দৌলতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছিল ইস্টবেঙ্গল। নির্ধারিত নব্বই মিনিটের পর অতিরিক্ত ৭ মিনিট সময় সংযুক্ত করা হয়েছিল ম্যাচ রেফারির তরফে। কিন্তু বদলায়নি ফলাফল।