১১ ফেব্রুয়ারী থেকে শুরু হচ্ছে পুরুষদের টি ২০ বিশ্বকাপ (ICC warning)। তার আগে থেকেই নাটকীয়তায় ভরে গিয়েছে ক্রিকেট দুনিয়া। আজ সন্ধ্যায় পাকিস্তান সরকার পিসিবি কে নির্দেশ দিয়েছে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ না খেলার। অর্থাৎ বিশ্বকাপ খেললেও ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানকে দেখা যাচ্ছে না। এর ঠিক পরেই বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে BCCI। তারা ভারতীয় দলকে নির্দেশ দিয়েছে ১৫ ফেব্রুয়ারী ভারত পাকিস্তানের ম্যাচের দিন শ্রীলংকায় যেতে এবং প্র্যাক্টিস চালিয়ে যেতে।

তবে এদিকে ICC একটি মেইল করে স্পষ্ট ভাষায় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড এবং সরকারকে কটাক্ষ করেছে এবং পাকিস্তান বোর্ডের উপরে সরকারের হস্তক্ষেপ একদমই ভালোভাবে নেয়নি এবং এই মিডিয়া রিলিসে পাকিস্তান বোর্ডের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের স্পষ্ট ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। আইসিসির তরফে জানানো হয়েছে, তারা এখনও পিসিবির কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগের অপেক্ষায় রয়েছে। তবে ক্রিকেট বোর্ডের উপরে সরকারের হস্তক্ষেপ একেবারেই কাম্য নয়।
পাকিস্তান বয়কট করতেই উল্টো চাল BCCI র
আইসিসির ওই মেইলে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপের মতো বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতা গড়ে ওঠে ক্রীড়াসুলভ মানসিকতা, ন্যায্যতা, ধারাবাহিকতা এবং প্রতিযোগিতার চেতনাকে কেন্দ্র করে। কোনও দল যদি নির্দিষ্ট প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে খেলতে অস্বীকার করে, তাহলে তা টুর্নামেন্টের পবিত্রতা ও খেলাধুলার মূল আদর্শকেই ক্ষতিগ্রস্ত করে। আইসিসির মতে, এই ধরনের সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র ক্রিকেটের স্বার্থের পরিপন্থী নয়, বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি সমর্থকের আবেগের প্রতিও অবিচার।
আইসিসি অবশ্য এটাও স্বীকার করেছে যে জাতীয় নীতির প্রশ্নে সরকারগুলির নিজস্ব ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু একই সঙ্গে তারা মনে করিয়ে দিয়েছে, এই সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের নিজস্ব ক্রিকেট ভবিষ্যতের উপরও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে। বিশ্ব ক্রিকেট ব্যবস্থার একজন সদস্য ও উপভোক্তা হিসেবে পিসিবির দায়িত্ব রয়েছে গ্লোবাল ক্রিকেট ইকোসিস্টেমের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার।
সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, আইসিসি কার্যত ইঙ্গিত দিয়েছে যে এই ধরনের পদক্ষেপের ফলে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। ক্রিকেট মহলের একাংশের মতে, যদি পাকিস্তান নির্ধারিত ম্যাচে অংশ না নেয়, তাহলে শুধু ম্যাচ পয়েন্ট হারানো নয়, ভবিষ্যতে আইসিসি ইভেন্ট আয়োজন বা অংশগ্রহণের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ আসতে পারে। যদিও আইসিসি এখনও সরাসরি কোনও নিষেধাজ্ঞার কথা ঘোষণা করেনি, তবে তাদের ভাষায় স্পষ্ট সতর্কবার্তার সুর রয়েছে।




















