হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের শেষে বেঙ্গল সুপার লিগ (Bengal Super League) চ্যাম্পিয়ন হল হাওড়া-হুগলি ওয়ারিয়র্স। সম্পূর্ণ সময় পর্যন্ত ২-২ গোলের অমীমাংসিত ফলাফল থাকায় স্বাভাবিকভাবেই খেলা চলে গিয়েছিল অতিরিক্ত সময়ের দিকে। অতিরিক্ত দুইটি অর্ধের খেলায় প্রথমার্ধে গোলের দেখা আর না মিললেও শেষ অর্ধের অন্তিম কিছু সময়ের মধ্যেই কৌস্তুভ দত্তের দৌলতে খেতাব নিশ্চিত করে ফেলে হোসে রেমিরেজ ব্যারেটোর দল। যারফলে ফুটবলার ক্যারিয়ারের পর কোচিং ক্যারিয়ারে নিজের প্রথম ট্রফি জিতে নিলেন তিনি। এই ম্যাচেই সকলের নজর কাড়েন দ্বীপ গাইন।
আরও পড়ুন: বাংলা সেরা ব্যারেটোর দল, শেষ মুহূর্তে গোল হজম জেএইচআরের
উল্লেখ্য, ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে প্রায় ৫৬ মিনিটের মাথায় তাঁর দৌলতেই দ্বিতীয় গোল পেয়ে গিয়েছিল হাওড়া-হুগলি ওয়ারিয়র্স। তবে সেই সময় গোল করতে গিয়ে প্রতিপক্ষের গোলরক্ষকের সঙ্গে সংঘর্ষে মাঠেই লুটিয়ে পড়ে ছিলেন দ্বীপ। এমন পরিস্থিতিতে তড়িঘড়ি করে মাঠে অ্যাম্বুলেন্স ডাকতে বাধ্য হন আয়োজকরা। অতি দ্রুততার সাথে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন বেশ কিছুটা সময়। তারপর ফিরে এসেছিলেন খেলার মাঠে। শেষ পর্যন্ত মাঠ ছাড়লেন ট্রফি হাতে। এমন খুশির মুহূর্তের জন্য হয়তো ভুলে যাওয়া যায় শরীরের যাবতীয় চোট আঘাত।
আরও পড়ুন: এই হাইপ্রোফাইল বিদেশি ফুটবলারকে দলে টানতে চাইছে ইন্টার কাশী
পরবর্তীতে সাংবাদিকদের তরফে এই নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বলেন, ‘ তখন আমি কিছু দেখতে পাচ্ছিলাম না। জ্ঞানও সেরকম ছিল না। তারপর আমি হাসপাতালে যাই। সেখানে চিকিৎসা করার পর আসি।’ পাশাপাশি বেঙ্গল সুপার লিগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ বিরাট বড় একটা টুর্নামেন্ট। ভারতীয় ফুটবলারদের সাথেই বিদেশি ফুটবলারদের সাথে খেলেছি। অনেক কিছু শিখতে পেরেছি। আমাদের কোচ ব্যারেটো যথেষ্ট গাইড করেছেন।’ এছাড়াও তাঁর সঙ্গে কথা বলে জানা যায় যে আপাতত কিছুটা বিশ্রামের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’




















