এভাবে ও ফিরে আসা যায়। বেলজিয়াম বনাম সেনেগাল ম্যাচ (FIFA World Cup) দেখে এই কথাই মনে থেকে বেড়িয়ে আসছে ফুটবলপ্রেমীদের। বৃহস্পতিবার রাতে রাউন্ড ৩২ ম্যাচে নেমেছিল রুডি গার্সিয়ার ছেলেরা। যেখানে তাঁদের প্রতিপক্ষ ছিল সেনেগাল। শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলের ব্যবধানে এই ম্যাচে জয় ছিনিয়ে নেয় বেলজিয়াম। দলের হয়ে গোল করেন যথাক্রমে রোমেলু লুকাকু, ইউরি টিলেমান্স। পেনাল্টি থেকে ম্যাচের শেষ মুহূর্তে দ্বিতীয় গোল করে যান টিলেমান্স। তারপর আর ম্যাচে ফেরার সুযোগ ছিল না সাদিও মানেদের কাছে।
ম্যাচের প্রথম দশ মিনিটের মধ্যেই গোলের সহজ সুযোগ তৈরি করে ফেলেছিল বেলজিয়াম। লিয়ান্দ্রো ট্রসার্ডের শট রুখে দিয়েছিলেন প্রতিপক্ষের গোলরক্ষক। ঠিক কিছু সময়ের মধ্যেই প্রতি আক্রমণে উঠে এসেছিল সেনেগাল। কিন্তু বল গোলে রাখতে পারেননি ইসমাইলা সারে। তারপর ১৮ মিনিটের মাথায় তারকা মিডফিল্ডার কেভিন ডি ব্রুয়েনা দুরন্ত শট নিলেও সেটি গোলে রাখা সম্ভব হয়নি। যদিও ২৪ মিনিটে গোলের মুখ খোলে সেনেগাল। সাদিও মানের ক্রস থেকে ইসমাইলা চেষ্টা করলেও গোল করতে পারেননি। পোস্টে প্রতিহত হয়েছিল সেই বল। তবে ফিরতি শটে বল জালে জড়ান হাবিব।
প্রথমার্ধের অন্তিম লগ্নে জেরেমি ডোকু থেকে শুরু করে কেভিনরা চেষ্টা করে ও গোলের মুখ খুলতে পারেননি। যারফলে ১-০ গোলে এগিয়ে থাকে সেনেগাল। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আরও বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে সেনেগাল। যারফলে ৫১ মিনিটের মাথায় চলে আসে দ্বিতীয় গোল। ইসমাইলার দৌলতে ২-০ গোলে এগিয়ে যায় আফ্রিকার এই দলটি। দ্বিতীয় গোল আসার পর থেকেই নিজেদের রক্ষণভাগে আরও বেশি নজর দিতে শুরু করে সেনেগাল। গোলের মুখ খোলা কার্যত অসম্ভব হয়ে গিয়েছিল বেলজিয়ামের কাছে। তবে ৮৬ মিনিটের মাথায় রোমেলু লুকাকুর দুরন্ত শট সোজা চলে যায় গোলে। ব্যবধান কমায় বেলজিয়াম।
তারপর ৮৯ মিনিটে দুরন্ত হেডে দলকে সমতায় আনেন ইউরি টিলেমান্স। নির্ধারিত সময় পর্যন্ত বজায় থাকে ২-২ গোলের অমীমাংসিত ফলাফল। তারপর শুরু হয় ৩০ মিনিটের অতিরিক্ত সময়ের খেলা। প্রথম কোয়ার্টারে ফলাফল অপরিবর্তিত থাকলেও। দ্বিতীয়ার্ধের শেষ লগ্নে পেনাল্টি আদায় করে বসে ইউরোপের দলটি। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়েই শেষ ষোলোয় পৌঁছে যায় রুডি গার্সিয়ার দল।


