সুপার কাপ ফাইনালে জুটেছে একরাশ হতাশা, সমর্থকদের পাশে থাকায় খুশি সিবিলে

সুদিন যেন কিছুতেই ফিরছে না ইস্টবেঙ্গল ফুটবল দলের। গতবারের সমস্ত হতাশা ভুলে এবার ঘুরে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা থাকলেও আটকে যেতে হচ্ছে শেষ মুহূর্তে। এবারের ঐতিহ্যবাহী ডুরান্ড…

East Bengal FC Welcomes Argentine Defender Kevin Sibille

সুদিন যেন কিছুতেই ফিরছে না ইস্টবেঙ্গল ফুটবল দলের। গতবারের সমস্ত হতাশা ভুলে এবার ঘুরে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা থাকলেও আটকে যেতে হচ্ছে শেষ মুহূর্তে। এবারের ঐতিহ্যবাহী ডুরান্ড কাপের প্রথম থেকেই দাপুটে পারফরম্যান্স থাকলেও ডায়মন্ড হারবার এফসির কাছে সেমিফাইনালে আটকে গিয়েছিল ময়দানের এই প্রধান। যা নিঃসন্দেহে হতাশ করেছিল সকলকে। সেই হতাশা কাটিয়ে ঐতিহাসিক আইএফএ শিল্ডে চূড়ান্ত সাফল্য পাওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও সেটা সম্ভব হয়নি। গ্ৰুপ পর্বের দাপুটে পারফরম্যান্সের পর সেমিফাইনালে ও দুরন্ত জয় পেয়েছিল ইস্টবেঙ্গল ফুটবল দল।

অনায়াসেই তাঁরা পরাজিত করেছিল প্যানাজিওটিস ডিলমপেরিসের শক্তিশালী পাঞ্জাব এফসিকে‌। সেই সুবাদে দল পৌঁছে গিয়েছিল ফাইনালে। গত ৭ই ডিসেম্বর গোয়ার জওহরলাল নেহরু ফতোরদা স্টেডিয়ামে আয়োজিত হয়েছিল সেই হাইভোল্টেজ ফাইনাল ম্যাচ। নির্ধারিত সময়ের শেষে বজায় ছিল গোলশূন্য ফলাফল। স্বাভাবিকভাবেই খেলা চলে গিয়েছিল অতিরিক্ত সময়ের দিকে। তবুও সেখানে ও গোলের দেখা মেলেনি। স্বাভাবিকভাবেই টাইব্রেকারের মধ্যে দিয়ে ম্যাচের নিষ্পত্তি আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেখানে ও ছিল ৪-৪ গোলের ফলাফল। স্বাভাবিকভাবেই সাডেন ডেথে গড়িয়েছিল ম্যাচ।

   

সেখানেই বাজিমাত করে যান এফসি গোয়ার ফুটবলার সাহিল টাভোরা। যা নিঃসন্দেহে হতাশ করেছে লাল-হলুদ সমর্থকদের। সেই নিয়েই এবার নেটমাধ্যমে বিশেষ পোস্ট করলেন আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার কেভিন সিবিলে। সেখানে গুরুত্বপূর্ণ ফাইনাল ম্যাচের বেশকিছু ছবি আপলোড করে তিনি লেখেন, ‘ ফুটবল এতটাই নিষ্ঠুর। পেনাল্টি শুটআউটে আমাদের সমস্ত প্রচেষ্টা নষ্ট হতে দেখে কষ্ট হচ্ছে, যা আমাদের সেই আনন্দ এবং শিরোপা থেকে বঞ্চিত করছে যা তোমাদের, সমর্থকদের প্রাপ্য ছিল। আমরা অবিশ্বাস্যভাবে কঠোর পরিশ্রম করেছি এবং এই সুপার কাপের প্রতিটি ম্যাচ শেষ পর্যন্ত লড়াই করেছি। প্রতিটি বার্তার জন্য এবং তোমাদের অটল সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ।’

এই ধাক্কা কাটিয়ে আসন্ন টুর্নামেন্টে ভালো পারফরম্যান্স করার পরিকল্পনা থাকবে লাল-হলুদের সকল ফুটবলারদের।