মালদা কাণ্ডে NIA তদন্তে নাটকীয় মোড়

কলকাতা: মোফাক্কেরুল গ্রেফতার হতেই তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে নজর দিয়েছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা NIA। (NIA Malda)মোফাক্কেরুলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে নজর দিয়েই অস্বাভাবিক অর্থ লেনদনের সন্ধান পেল এনআইএ…

nia-malda-case-suspicious-transactions-mofakkerul-islam

কলকাতা: মোফাক্কেরুল গ্রেফতার হতেই তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে নজর দিয়েছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা NIA। (NIA Malda)মোফাক্কেরুলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে নজর দিয়েই অস্বাভাবিক অর্থ লেনদনের সন্ধান পেল এনআইএ গোয়েন্দারা। গত এক মাস ধরে কিছু রহস্যজনক অর্থ লেনদেন হচ্ছিল। মোফাক্কেরুলের সাম্প্রতিক কিছু বক্তব্যে এবং শেষ যে উস্কানিমূলক বক্তব্য ভাইরাল হয়েছে তাতে NIA গোয়েন্দারা স্পষ্ট আভাস পেয়েছেন কোনও দাঙ্গা বাঁধানোর এজেন্ডার।

ঠিক সেই কারণেই তার ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে নজর দিয়েছিল তারা। গোয়েন্দাদের সন্দেহ মোফাক্কেরুলকে কেউ বা কারা টাকা দিচ্ছিল এইসব করার জন্য। তবে কোন অ্যাকাউন্ট থেকে তার কাছে এত টাকা আসছিল তা এখনও জানা যায়নি, তা অবশ্যই তদন্ত সাপেক্ষ। রাজনৈতিক মহলের একাংশ এই ঘটনায় আশংকা প্রকাশ করেছেন এবং বলেছেন এর মধ্যে কোনও বিশেষ রাজনৈতিক দলের যুক্ত থাকার সম্ভবনা থাকতে পারে , যারা রীতিমত টাকা দিয়ে মোফাক্কেরুলকে ব্যবহার করছিল।

৩ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার এনআইএ-র একটি বড় টিম মালদায় পৌঁছায়। প্রায় ২৪ থেকে ৪০ জনের এই টিমের নেতৃত্বে ছিলেন একজন ডিআইজি পদমর্যাদার কর্মকর্তা। টিম প্রথমে মোথাবাড়ি ও কালিয়াচক থানায় গিয়ে স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে কথা বলে এবং ঘটনাস্থল থেকে প্রমাণ সংগ্রহ করে। তারা কালিয়াচক-২ বিডিও অফিসেও পরিদর্শন করে। ঘটনাস্থলে পাথর ছোড়া, যানবাহনে হামলা এবং জাতীয় সড়ক ১২ অবরোধের মতো বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল ১ এপ্রিল বিকেল থেকে। স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় ভোটার তালিকা থেকে নাম কাটা যাওয়ায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা বিডিও অফিসের সামনে জড়ো হন। প্রথমে তাঁরা বিচারিক আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করতে চান। অনুমতি না পেয়ে বিক্ষোভ তীব্র হয়। দুপুর ৪টার দিকে দু’টি গেট ঘিরে ফেলে হাজার হাজার মানুষ।

ফলে অফিসের ভিতরে আটকে পড়েন সাত বিচারিক আধিকারিক। রাত প্রায় ১২টা পর্যন্ত তাঁরা অফিসের ভিতরে ছিলেন। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে তাঁদের উদ্ধার করে। এ সময় আধিকারিকদের গাড়িতেও হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। আর এসবের নেপথ্যেই ছিল মোফাক্কেরুল ইসলাম। তাই এখন মোফাক্কেরুলের সমস্ত কিছুই NIA গোয়েন্দাদের রাডারে।