রাহুল ‘পাপ্পু’, গৌরব ‘ছোট পাপ্পু’! তীব্র কটাক্ষ হিমন্তের! পালটা তোপ কংগ্রেসের

গুয়াহাটি: অসমের বিধানসভা নির্বাচন যত এগোচ্ছে, রাজনৈতিক আক্রমণের ঝাঁজ ততই বাড়ছে। এবার কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এবং গৌরব গগৈকে যথাক্রমে ‘পাপ্পু’ ও ‘ছোট পাপ্পু’ বলে…

Rahul Gandhi Himanta Biswa Sarma clash

গুয়াহাটি: অসমের বিধানসভা নির্বাচন যত এগোচ্ছে, রাজনৈতিক আক্রমণের ঝাঁজ ততই বাড়ছে। এবার কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এবং গৌরব গগৈকে যথাক্রমে ‘পাপ্পু’ ও ‘ছোট পাপ্পু’ বলে তীব্র কটাক্ষ করলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে তাঁকে গ্রেফতার করা হবে বলে যে হুঁশিয়ারি রাহুল গান্ধী দিয়েছিলেন, শনিবার তার জবাবে হিমন্ত বলেন, “আমাকে গ্রেফতার করতে হলে ইন্দিরা, রাজীব এবং রাহুল গান্ধীকে ফের জন্ম নিতে হবে।”

রাহুলের হুঁশিয়ারি ও দুর্নীতির অভিযোগ

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবারই হিমন্ত বিশ্বশর্মাকে দেশের ‘সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত মুখ্যমন্ত্রী’ বলে তোপ দেগেছিলেন রাহুল গান্ধী। তাঁর অভিযোগ ছিল, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে হাত মিলিয়ে অসমে ‘ল্যান্ড এটিএম’ চালাচ্ছেন হিমন্ত। দুর্নীতিতে রাশ টানতে গিয়ে মোদীর হাতেই অসমের মুখ্যমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণ রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। রাহুলের হুঁশিয়ারি, কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে হিমন্তের বিরুদ্ধে কড়া আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং তাঁকে কেউ বাঁচাতে পারবে না।

   

হিমন্তের পালটা জবাব Rahul Gandhi Himanta Biswa Sarma clash

শনিবার শ্রীভূমিতে রাহুলের সেই হুমকিরই পালটা জবাব দেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী। হিমন্ত বলেন, “যাঁরা বলছেন হিমন্ত বিশ্বশর্মাকে গ্রেফতার করবেন, তাঁদের উদ্দেশে বলি, এর জন্য ইন্দিরা গান্ধী, রাজীব গান্ধী এবং রাহুল গান্ধীকে নতুন করে জন্ম নিতে হবে। এই জন্মে তা আর সম্ভব নয়। কয়েক জন্ম পেরোলে তবেই তাঁরা হিমন্ত বিশ্বশর্মার কিছু করতে পারবেন।”

কংগ্রেসের ‘তিহার’ খোঁচা

মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরই কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে কংগ্রেস। দলের শীর্ষ নেতা পবন খেরা এক্স (X) হ্যান্ডেলে পালটা তোপ দেগে লেখেন, “হিমন্ত বিশ্বশর্মা নিজেকে আইনের ঊর্ধ্বে বলে মনে করেন। কিন্তু প্রকৃতির নিয়ম তাঁর মনে রাখা উচিত, যে যত উঁচুতে ওঠে, তার পতন ততটাই ভয়ঙ্কর হয়। মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন থেকে তিহার জেল, যাত্রাটা তো কেবল শুরু হবে।” সব মিলিয়ে ভোটের মুখে অসমের রাজনৈতিক আবহাওয়া যে রীতিমতো তপ্ত, তা এই দুই শিবিরের কাদা ছোঁড়াছুঁড়িতেই স্পষ্ট।