Wriddhiman Saha: ঋদ্ধি ইস্যুতে সৌরভকে চিঠি শিলিগুড়ির এই দাপুটে নেতা

ঋদ্ধি (Wriddhima Saha) ইস্যুতে ক্ষোভে ফেটে পড়েছে দেশের ক্রিকেট মহল। ক্ষুদ্ধ বাংলার আমজনতাও। স্বাভাবিক ভাবেই ঘরের ছেলের পাপালির প্রতি যে অবিচার হয়েছে, তার বিরুদ্ধে রীতিমতো আগুন জ্বলছে শিলিগুড়িতে। ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Follow Us
Sourav Ganguly

ঋদ্ধি (Wriddhima Saha) ইস্যুতে ক্ষোভে ফেটে পড়েছে দেশের ক্রিকেট মহল। ক্ষুদ্ধ বাংলার আমজনতাও। স্বাভাবিক ভাবেই ঘরের ছেলের পাপালির প্রতি যে অবিচার হয়েছে, তার বিরুদ্ধে রীতিমতো আগুন জ্বলছে শিলিগুড়িতে। অত্যন্ত ভদ্র এবং বিনম্র বলেই ভারতীয় ক্রিকেটে পরিচিত ঋদ্ধিমান সাহা।

কয়েকদিন আগে পর্যন্ত টেস্ট ক্রিকেটে তাঁকেই দেশের এক নম্বর উইকেটকিপার হিসাবে ধরা হত। কিন্তু শনিবার শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ঘোষিত টেস্ট দল থেকে হঠাৎ ব্রাত্য হয়ে যান ঋদ্ধি। শুধু তাই নয়, ভবিষ্যতেও যে তাঁকে আর ভাবা হবে না, এমনটাও নির্বাচকদের তরফে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয় তাঁকে।

   

এরপর থেকে ঋদ্ধিমানের পাশে দাঁড়িয়েছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার থেকে শুরু করে দেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা। এই তালিকায় বাদ নেই উত্তরবঙ্গের নামও। ঘরের ছেলের জন্য গলা ফাটাচ্ছেন শিলিগুড়িবাসী। এবার সেখানকার প্রাক্তন মেয়র অশোক ভট্টাচার্য ব্যক্তিগত ভাবে চিঠি দিলেন বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে। মহারাজের সঙ্গে এই বাম নেতার ঘনিষ্ঠতা কারও অজানা নয়। ঋদ্ধিমানের দল থেকে বাদ পড়ায় হতাশ অশোক ভট্টাচার্যও।

সৌরভকে তিনি লিখেছেন, ‍‘শ্রীলঙ্কা সিরিজে ভারতীয় ক্রিকেট টিমে উইকেটরক্ষক হিসাবে ঋদ্ধিমান সাহাকে না দেখতে পেয়ে কিছুটা হতাশা থেকেই তোমাকে এই চিঠি লেখা। তোমার মতো ঋদ্ধিমান (আমাদের পাপালি) নিয়েও আমাদের গর্ব। তোমাদের নিয়েই বাংলার আবেগ।

ঋদ্ধিমানের দল থেকে বাদ পড়াটা আমাদের কাছে খুবই দুঃখের। যেমন দুঃখ পেয়েছিলাম তুমিও যখন বঞ্চনা ও ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছিলে। তোমার কাছে সমগ্র শিলিগুড়ি তথা উত্তরবঙ্গবাসীর একটাই অনুরোধ, ঋদ্ধিমান সাহার ভারতীয় ক্রিকেট দল থেকে বাদ পড়ার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা যায় কিনা, তা দেখার। একেবারেই ব্যক্তিগতভাবে তোমাকে এই চিঠিটি লেখা।’

ভিডিও নিউজ দেখুন

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google