পৃথিবীতে আছড়ে পড়ার আগেই থামানো যাবে গ্রহাণুকে, বড় অভিযানে ব্লু অরিজিন

NASA: জেফ বেজোসের কোম্পানি, ব্লু অরিজিন, এখন মহাকাশের হুমকি থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করার জন্য কাজ করছে। কোম্পানিটি নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরি এবং ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির গবেষকদের সাথে ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Follow Us

NASA: জেফ বেজোসের কোম্পানি, ব্লু অরিজিন, এখন মহাকাশের হুমকি থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করার জন্য কাজ করছে। কোম্পানিটি নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরি এবং ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির গবেষকদের সাথে নিয়ার আর্থ অবজেক্টস (NEO) হান্টার নামক একটি নতুন মিশনে সহযোগিতা করেছে। এই অভিযানের উদ্দেশ্য হলো এই ধরনের বিপজ্জনক গ্রহাণুগুলোকে শনাক্ত করা এবং প্রয়োজনে সেগুলোর গতিপথ পরিবর্তন করা, যাতে পৃথিবীর সাথে সংঘর্ষের আগেই সেগুলোকে থামানো যায়।

এই অভিযানটি ব্লু অরিজিনের ব্লু রিং মহাকাশযান প্ল্যাটফর্মের উপর ভিত্তি করে পরিচালিত হবে, যা একটি মডিউলার স্যাটেলাইট সিস্টেম। সংস্থাটির মতে, এই প্ল্যাটফর্মটি একই সাথে একাধিক অভিযান সমর্থন করতে পারে এবং এটি পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথ থেকে গভীর মহাকাশ পর্যন্ত কাজ করতে সক্ষম। নিও হান্টার মহাকাশে সম্ভাব্য হুমকি শনাক্ত ও বিশ্লেষণ করতে এই প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করবে।

   

এই অভিযানটি দুটি পর্যায়ে পরিকল্পিত। প্রথম পর্যায়ে ছোট কিউবস্যাট উৎক্ষেপণ করা হবে, যা সন্দেহভাজন গ্রহাণুটির কাছে গিয়ে এর গঠন, ওজন এবং ঘনত্বের মতো তথ্য সংগ্রহ করবে। এই তথ্য বস্তুটিকে বিচ্যুত করার জন্য কোন পদ্ধতিটি সবচেয়ে কার্যকর হবে তা নির্ধারণ করতে সাহায্য করবে।

প্রয়োজন হলে, ব্লু রিং-এর আয়ন বিম সিস্টেমটি তখন সক্রিয় করা হবে। এই পদ্ধতিতে গ্রহাণুটির দিক পরিবর্তন করার চেষ্টায় সেটির দিকে চার্জিত কণার একটি রশ্মি নিক্ষেপ করা হয়। এই ধরনের ধারণা ইতোমধ্যেই মহাকাশ অভিযানে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এটিকে ভবিষ্যতের একটি সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

যদি গ্রহাণুটি খুব বড় বা দ্রুত গতিসম্পন্ন হয়, তবে অভিযানের দ্বিতীয় পর্যায়ে ‘রোবাস্ট কাইনেটিক ডিসরাপশন’ কৌশল ব্যবহার করা হবে। এর মাধ্যমে মহাকাশযানটি গ্রহাণুটির গতিপথ পরিবর্তন করার জন্য সরাসরি সেটির সাথে সংঘর্ষ ঘটাবে। নাসা এর আগে ডার্ট অভিযানে এ ধরনের একটি পরীক্ষা চালিয়েছিল, যেখানে একটি গ্রহাণুর কক্ষপথ সফলভাবে পরিবর্তন করা হয়।

blue ring
নিও হান্টার মিশনে ‘স্ল্যামক্যাম’ নামে একটি ছোট স্যাটেলাইটও অন্তর্ভুক্ত থাকবে, যা সংঘর্ষের আগে সম্পূর্ণ প্রভাবটি রেকর্ড করতে এবং মিশনের সাফল্য নিশ্চিত করার জন্য উৎক্ষেপণ করা হবে। ব্লু অরিজিন বলছে যে ব্লু রিং-এর মতো বাণিজ্যিক প্ল্যাটফর্মগুলো কম খরচে বিজ্ঞান, অন্বেষণ এবং গ্রহ প্রতিরক্ষাসহ বড় ও গুরুত্বপূর্ণ মহাকাশ অভিযান সম্পন্ন করতে সাহায্য করতে পারে।

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google