‘রঘুরাম রাজন অর্থনীতি বোঝেন না’, চাঞ্চল্যকর দাবি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

উত্তরপ্রদেশে নির্বাচনী প্রচার করতে গিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখর। রবিবার এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, রিজার্ভ ব্যাংকের প্রাক্তন গভর্নর রঘুরাম রাজন অর্থনীতির কিছুই বোঝেন না। রবিবার ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Follow Us

উত্তরপ্রদেশে নির্বাচনী প্রচার করতে গিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখর। রবিবার এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, রিজার্ভ ব্যাংকের প্রাক্তন গভর্নর রঘুরাম রাজন অর্থনীতির কিছুই বোঝেন না।

রবিবার উত্তরপ্রদেশে প্রচারে গিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখর। সেখানে এক সাংবাদিক দেশের অর্থনীতি নিয়ে প্রশ্ন করলে মন্ত্রী বলেন,”আমি মনে করি না রঘুরাম রাজনের অর্থনীতিতে খুব ভাল জ্ঞান আছে। খোঁজ নিলেই জানতে পারবেন রাজনের আমলেই ব্যাংকের অনুৎপাদক সম্পদের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি বেড়েছিল। ওনার সময়ে দেশের আর্থিক পরিকাঠামো কার্যত ভেঙে পড়েছিল।”

   

রাজীব চন্দ্রশেখরের এই বক্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতে দেরি হয়নি। আর সঙ্গে সঙ্গেই দেশজুড়ে উঠেছে নিন্দার ঝড়। নেটিজেনরা অনেকেই বলেছেন, করোনার কারণে দেশের আর্থিক মেরুদণ্ড ভেঙে গিয়েছে। এই অবস্থায় দেশের অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড় করাতে রাজীবকে আরবিআই-এর গভর্নরের দায়িত্ব দিলে খুব ভাল হবে। চলতি পরিস্থিতিতে সরকার তো একটা ঝুঁকি নিয়ে দেখতেই পারে। কেউ কেউ বলেছেন, আরবিআই-এর গভর্নর শক্তিকান্ত দাসকে সরিয়ে দিয়ে রাজীবকেই দায়িত্ব দেওয়া হোক। কারণ এই মুহূর্তে আরবিআই-এর গভর্নর হওয়ার ক্ষেত্রে উনিই সবচেয়ে যোগ্য ব্যক্তি।

রাজনের সমালোচনা করার পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদবেরও কড়া সমালোচনা করেন মন্ত্রী। উত্তরপ্রদেশের চলতি পরিস্থিতির জন্য তিনি রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দিকে আঙুল তোলেন। তিনি বলেন, এ রাজ্যে বেকারত্ব বৃদ্ধির জন্য দায়ী প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশের নীতি। একইসঙ্গে মন্ত্রী দাবি করেন, মোদি সরকারের আমলে বহু মানুষ চাকরি পেয়েছেন। সাত বছরে দেশজুড়ে প্রায় ৫ কোটি মানুষ চাকরি পেয়েছেন। গোটা দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ঘটেছে।

 

ভিডিও নিউজ দেখুন

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google