Home Politics ১০ দিনে তৃণমূলের ৬ উইকেট নিয়ে রেকর্ড বাংলার ডবল ইঞ্জিনের

১০ দিনে তৃণমূলের ৬ উইকেট নিয়ে রেকর্ড বাংলার ডবল ইঞ্জিনের

0
১০ দিনে তৃণমূলের ৬ উইকেট নিয়ে রেকর্ড বাংলার ডবল ইঞ্জিনের

কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের পর বাংলায় রাজনৈতিক পালাবদল। (political arrests)বিজেপির ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার গঠনের মাত্র দশ দিনের মধ্যে রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের একের পর এক নেতার গ্রেফতারে উত্তপ্ত রাজনৈতিক মহল। পুলিশ ও প্রশাসনের সক্রিয় অভিযানে ইতিমধ্যে অন্তত ছয়টি বড় ঘটনায় তৃণমূলের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ উঠছিল যে তৃণমূলের আমলে অপরাধীরা প্রশ্রয় পেয়েছে এবং পুলিশ নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারেনি।

নতুন সরকারের আমলে সেই পরিস্থিতি পাল্টে গিয়েছে।পশ্চিম বর্ধমানের আন্দালে তৃণমূল নেতা রামচরিত্র পাসোয়ানকে গ্রেফতার করা হয়েছে স্থানীয় মানুষদের ভয় দেখানো ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূলের জেলা সভাপতির প্রভাবে আগে পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি। নতুন প্রশাসনের নির্দেশে পুলিশ এবার দ্রুত অ্যাকশন নেয়।

   

হুগলির ধনেখালিতে ২০২১ সালের পরবর্তী নির্বাচনী হিংসায় বিজেপি কর্মীদের উপর আক্রমণের অভিযোগে তিন তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে মামলা ঝুলে থাকলেও নতুন সরকারের আমলে তদন্তে নতুন গতি এসেছে। উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালিতে শেখ শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী শ্রীরাম হাওলিকে গ্রেফতার করা হয়েছে স্থানীয় মানুষদের ভয় দেখানো এবং পুলিশের উপর আক্রমণের অভিযোগে।

আরও দেখুনঃ ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে সেপ্টেম্বরে ফের ভারত আসছেন পুতিন

সন্দেশখালির ঘটনায় যারা এতদিন প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে এখন কঠোর অভিযান চলছে। একই জেলার স্বরূপনগরে তৃণমূল নেতা নারায়ণ চন্দ্রকরকে ২০২১-এর পরবর্তী হিংসার মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। কোচবিহারের কোতোয়ালি থানা এলাকায় এক তৃণমূল বুথ সভাপতিকে গ্রেফতারকরা হয়েছে আবাস যোজনার বাড়ি বরাদ্দ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগে। দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরে এক তৃণমূল নেতাকে চাকরি দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে।

আর বাঁকুড়া শহরে তৃণমূল নেতাকে ডাকাতির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে।রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এই পদক্ষেপ দেখে সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। অনেকে বলছেন, “অবশেষে আইন তার নিজস্ব গতিতে চলতে শুরু করেছে।” বিশেষ করে সন্দেশখালি, ধনেখালি, বসিরহাটসহ হিংসাপ্রবণ এলাকায় যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে অত্যাচার সহ্য করেছেন, তাঁরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।

বিজেপি নেতারা বলছেন, “এটি শুধু শুরু। রাজ্যে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করাই আমাদের লক্ষ্য। কোনো অপরাধীকেই ছাড় দেওয়া হবে না, চাই সে যত বড় নেতাই হোক।”তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে অবশ্য এই গ্রেফতারকে ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ বলে দাবি করা হয়েছে। দলের মুখপাত্ররা বলছেন, নতুন সরকার বিরোধীদের হয়রানি করতে পুলিশকে ব্যবহার করছে। কিন্তু পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, সবকটি মামলাই পুরনো অভিযোগের ভিত্তিতে এবং যথাযথ প্রমাণ সহকারে অ্যাকশন নেওয়া হয়েছে।

Follow on Google