তুফানগঞ্জ: রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচন সম্পন্ন হতে না হতেই ফের শিরোনামে কোচবিহারের তুফানগঞ্জ। (Tufanganj BJP)চিলাখানা ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের উত্তর ঘোগারকুটি এলাকায় এক বিজেপি যুব মোর্চা নেতার দোকানে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল শাসকদলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
আক্রান্ত দীপক দাস নাটাবাড়ি বিধানসভার ৩ নং মন্ডল যুব মোর্চা সম্পাদক। উত্তর ঘোগারকুটি এলাকায় গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ের পাশেই তাঁর একটি সাইবার ক্যাফে ও একটি মুদি দোকান (গালামাল দোকান) রয়েছে। দীপক দাসের অভিযোগ, বিরোধী দল করার অপরাধে দীর্ঘদিন ধরেই তাঁকে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা হুমকি দিচ্ছিল। “আমাকে বলা হয়েছিল, এলাকায় থাকতে হলে এবং দোকান চালাতে হলে শাসক দলের হয়ে কাজ করতে হবে। না হলে ভোটের পর দেখে নেওয়া হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়েছিল।”
আরও দেখুনঃ দ্বিতীয় দফায় শান্তির লক্ষ্যে “যুদ্ধের” প্রস্তুতি আধা সেনাবাহিনীর
অভিযোগ অনুযায়ী, প্রথম দফার ভোট মিটতেই সেই হুমকির বাস্তবায়ন ঘটে। দীপক দাসের দাবি তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা রাতে তাঁর দোকানে চড়াও হয়।সাইবার ক্যাফেতে থাকা দামী কম্পিউটার সেটটি লুঠ করে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর প্রমাণ লোপাট করতে এবং তাঁকে নিঃস্ব করতে গোটা দোকানে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।
শনিবার ভোর রাতে আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা খবর দেন পুলিশ ও দমকলকে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় তুফানগঞ্জ থানার পুলিশ এবং দমকলের একটি ইঞ্জিন। বেশ কিছুক্ষণের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ততক্ষণে ভস্মীভূত হয়ে যায় গোটা দোকান। কয়েক লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিক অনুমান করা হচ্ছে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের ২০২১-এর ভোট পরবর্তী হিংসার স্মৃতি ফিরছে বলে দাবি করছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে তুফানগঞ্জ থানার পুলিশ। এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা এড়াতে পুলিশি টহলদারি বাড়ানো হয়েছে।




















