‘শুরুতেই ভেঙেছে অহঙ্কার’, প্রথম দফার ভোটেই তৃণমূলকে কটাক্ষ মোদীর

Narendra Modi দাবি করলেন, শুরুতেই ধাক্কা খেয়েছে Trinamool Congress। নির্বাচনী লড়াইয়ে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ।

By Suparna Parui

Published:

Follow Us
Even Children’s Toffees Weren’t Spared: PM Modi Slams Opposition Over GST Policies

বনগাঁ: বিধানসভা নির্বাচনের আবহে রাজ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। শেষ দফার ভোটের আগে প্রচারে ঝড় তুলতে উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগরে বিজয় সংকল্প সভায় যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী  (PM MODI) । এই সভাকে কেন্দ্র করে বিজেপির(PM MODI) শক্তিপ্রদর্শন যেমন স্পষ্ট, তেমনই রাজনৈতিক বার্তার দিক থেকেও এটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

ঠাকুরনগর দীর্ঘদিন ধরেই মতুয়া সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। সেই কারণে এই এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর সভা ঘিরে রাজনৈতিক গুরুত্ব বহুগুণে বেড়ে গিয়েছে। বিজেপি ইতিমধ্যেই এই অঞ্চলে নিজেদের প্রভাব বাড়ানোর লক্ষ্যে একাধিক কর্মসূচি নিয়েছে। বিশেষ করে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) এবং সাম্প্রতিক SIR ইস্যুকে কেন্দ্র করে মতুয়া ভোটব্যাঙ্ককে আকৃষ্ট করার চেষ্টা স্পষ্ট। (PM MODI) রবিবারের সভাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই এলাকায় ভিড় জমাতে শুরু করেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। সভাস্থল সংলগ্ন এলাকায় দেখা যায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। বহু কর্মী-সমর্থক রাম, সীতা এবং হনুমানের বেশে মিছিল করেন, যা রাজনৈতিক প্রচারে এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করে। এই ধরনের প্রতীকী উপস্থিতি দলের আদর্শ এবং সাংস্কৃতিক বার্তাকে তুলে ধরারই অংশ বলে মনে করা হচ্ছে।

   

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁর বক্তব্যে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানানোর পাশাপাশি উন্নয়ন, কেন্দ্রীয় প্রকল্প এবং জাতীয় নিরাপত্তার প্রসঙ্গ তুলে ধরতে পারেন বলেই রাজনৈতিক মহলের অনুমান। বিশেষ করে মতুয়া সম্প্রদায়ের উদ্দেশে তিনি কী বার্তা দেন, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। কারণ এই সম্প্রদায়ের ভোট আচরণ একাধিক আসনে ফলাফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। মতুয়াদের দীর্ঘদিনের দাবি নাগরিকত্ব সংক্রান্ত সমস্যা সমাধান। বিজেপি আগেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে, তাদের সরকার এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করবে। ফলে মোদীর বক্তব্যে এই প্রসঙ্গ উঠে আসার সম্ভাবনা প্রবল। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্প যেমন আবাস যোজনা, উজ্জ্বলা যোজনা ইত্যাদির সুবিধা নিয়েও তিনি কথা বলতে পারেন। অন্যদিকে, এই সভার মাধ্যমে বিজেপি স্পষ্ট বার্তা দিতে চাইছে যে, শেষ দফার ভোটের আগে তারা কোনওভাবেই প্রচারের লড়াইয়ে পিছিয়ে নেই। ‘কার্পেট বম্বিং’ কৌশলে একের পর এক সভা, রোড শো এবং জনসংযোগের মাধ্যমে ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা চলছে। ঠাকুরনগরের সভা সেই প্রচেষ্টারই গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

Suparna Parui

হাতেখড়ি চ্যানেলে। খবরের গন্ধ শনাক্ত করার কৌশল শেখা সেখান থেকেই। তারপর ৬ বছর ধরে বিনোদন রাজনীতির খবরের ব্যবচ্ছেদ করে চলেছি। খবর শুধু পেশা নয়, একমাত্র নেশাও বটে।কাজের পাশাপাশি সিনেমা দেখতে, গান শুনতে, বেড়াতে যেতে খুব ভালোলাগে। তাই সময় সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ি নতুন অ্যাডভেঞ্চারের উদ্দেশ্যে।

Follow on Google