বিজেপি ৫৫ বুথে এজেন্ট দিতে পারেনি নন্দীগ্রামে, তৃণমূলের বিস্ফোরক দাবি,পাল্টা জবাব শুভেন্দুর

নন্দীগ্রামে ভোটপর্বকে কেন্দ্র করে ফের রাজনৈতিক উত্তাপ তুঙ্গে। ভোটের দিনেই বুথ এজেন্ট নিয়ে তীব্র বিতর্ক ছড়িয়েছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিরোধী দল বিজেপির মধ্যে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে ...

By Suparna Parui

Published:

Follow Us
suvendu-adhikari-reaction-kaliachak-arrests-congress-leaders

নন্দীগ্রামে ভোটপর্বকে কেন্দ্র করে ফের রাজনৈতিক উত্তাপ তুঙ্গে। ভোটের দিনেই বুথ এজেন্ট নিয়ে তীব্র বিতর্ক ছড়িয়েছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিরোধী দল বিজেপির মধ্যে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, (Suvendu Adhikari) নন্দীগ্রামের মোট ৫৫টি বুথে বিজেপি তাদের এজেন্টই দিতে পারেনি। (Suvendu Adhikari) এই অভিযোগ সামনে এনে সরব হয়েছেন শাসক শিবিরের নেতা শেখ সুফিয়ান।

তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এত গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে এত সংখ্যক বুথে এজেন্ট না থাকা প্রশ্ন তুলছে বিজেপির সাংগঠনিক শক্তি নিয়েই। তিনি দাবি করেন, ভোট পরিচালনায় বুথ এজেন্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং সেখানে এজেন্ট না থাকা স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। তবে তৃণমূলের এই অভিযোগকে সম্পূর্ণভাবে(Suvendu Adhikari) অস্বীকার করেছে বিজেপি। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর শিবিরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক মেঘানাদ পাল স্পষ্টভাবে বলেন, “এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। কোন কোন বুথে এজেন্ট নেই, তা আগে প্রমাণ করা হোক।” তাঁর দাবি, তৃণমূল রাজনৈতিকভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে।

   

এদিকে নন্দীগ্রামে (Suvendu Adhikari) ভোটের পরিবেশ নিয়ে আরও একটি গুরুতর অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। তাদের দাবি, পুলিশ প্রশাসনের একটি অংশ বিজেপির হয়ে কাজ করছে। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দুই পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ রয়েছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে।  এই বিষয়টি সামনে এনে বৃহস্পতিবার সকালে সাংবাদিক বৈঠক করেন রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী শশী পাঁজা। তিনি বলেন, “নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে। এমন দুই পুলিশকর্মীকে নন্দীগ্রামে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যাঁদের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ রয়েছে। আমরা বিষয়টি রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ আগরওয়ালের নজরে এনেছি।”

তৃণমূলের দাবি, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা বজায় না থাকলে ভোটের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। তারা নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্রুত পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছে। অন্যদিকে বিজেপির দাবি, প্রশাসনের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ভোটের পরিবেশকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা মাত্র। নন্দীগ্রাম কেন্দ্র বরাবরই রাজ্যের রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি আসন। এখানে প্রতিটি নির্বাচনে উত্তেজনা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা তুঙ্গে থাকে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। বুথ এজেন্ট, পুলিশ প্রশাসন এবং ভোট পরিচালনা—সব কিছু নিয়েই দুই শিবিরের মধ্যে তীব্র চাপানউতোর চলছে।

Suparna Parui

হাতেখড়ি চ্যানেলে। খবরের গন্ধ শনাক্ত করার কৌশল শেখা সেখান থেকেই। তারপর ৬ বছর ধরে বিনোদন রাজনীতির খবরের ব্যবচ্ছেদ করে চলেছি। খবর শুধু পেশা নয়, একমাত্র নেশাও বটে।কাজের পাশাপাশি সিনেমা দেখতে, গান শুনতে, বেড়াতে যেতে খুব ভালোলাগে। তাই সময় সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ি নতুন অ্যাডভেঞ্চারের উদ্দেশ্যে।

Follow on Google