কলকাতা: তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্রের ওপর ডিম ছোড়ার (Samik Bhattacharya)ঘটনা ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছেন, “তৃণমূল তৃণমূলকে ডিম ছুড়েছে, আমরা কী করব! সাধারণ মানুষ ডিম ছুড়ুক বা তৃণমূলই ডিম ছুড়ুক, আমরা কী করতে পারি? এটা পুলিশের কাজ নয়।
#WATCH | Kolkata: On an egg attack on TMC MP Mahua Moitra, WB BJP President Samik Bhattacharya says, “If the general public throws an egg or the TMC throws an egg on the TMC, then what can we do about it? This isn’t the police’s job. The police only have metal detectors… There… pic.twitter.com/AiYodlHOpp
— ANI (@ANI) July 1, 2026
পুলিশের কাছে মেটাল ডিটেক্টর আছে, কিন্তু পকেটে ডিম আছে কি না তা ধরার কোনো মেশিন নেই। এটা বন্ধ করতে হবে। এতে পশ্চিমবঙ্গের ভাবমূর্তি সারা দেশের সামনে নষ্ট হচ্ছে।”শমীক ভট্টাচার্য আরও বলেন, এই ঘটনা তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল থেকে উদ্ভূত। দলের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ থেকেই এমন ঘটনা ঘটছে। এটা বিজেপির এজেন্ডা নয় বলে তিনি স্পষ্ট করে দেন।
আরও দেখুনঃ বাদল অধিবেশনে বড় আইন! ৩০ দিন জেল খাটলেই পদ যাবে মন্ত্রীদের-বাদ নয় প্রধানমন্ত্রীও
তাঁর মতে, তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ বিভেদ এখন প্রকাশ্যে চলে এসেছে এবং তার ফল ভোগ করছে দলটি নিজেই।মহুয়া মৈত্রের ওপর ডিম ছোড়ার ঘটনাটি ঘটে সাম্প্রতিক এক অনুষ্ঠানে। ঘটনার পর থেকেই রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়। তৃণমূল কংগ্রেস এই ঘটনার জন্য বিজেপিকে দায়ী করেছে। দলের নেতারা বলছেন, বিজেপি উসকানি দিয়ে এমন ঘটনা ঘটাচ্ছে।
কিন্তু শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্যের পর তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, শমীকের এই মন্তব্য তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সমস্যাকে সামনে নিয়ে এসেছে। তৃণমূলের মধ্যে বিভিন্ন গ্রুপের মধ্যে ক্ষমতার লড়াই চলছে। মহুয়া মৈত্রা দলের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুখ। তাঁর ওপর এমন হামলা দলের অভ্যন্তরীণ অসন্তোষের প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে।
একজন বিশ্লেষক বলেন, “তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল এখন প্রকাশ্যে চলে এসেছে। শমীক সেটাকেই তুলে ধরেছেন।”এদিকে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কিন্তু শমীকের বক্তব্যের পর পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তিনি বলেছেন, পুলিশের কাছে ডিম শনাক্ত করার কোনো ব্যবস্থা নেই। এই মন্তব্যকে অনেকে হালকা রসিকতা হিসেবে দেখলেও, রাজনৈতিকভাবে এটি তাৎপর্যপূর্ণ।


