
প্রধান বিচারপতি (Supreme Court) সূর্য কান্তের সাম্প্রতিক বক্তব্য রাজনৈতিক ও সামাজিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে আনা একটি পিটিশনের উত্তরে প্রধান বিচারপতি স্পষ্টভাবে বলেন, “কোনও নির্দোষ নাগরিককে ক্ষতিগ্রস্ত হতে দেওয়া হবে না। ম্যাডাম মমতা আমরা আপনাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই, আপনার পিটিশনের মাধ্যমে আসল সমস্যা জানতে পেরেছি। বাংলা ভাষায় লেখার জন্য কাউকে বাদ দেওয়া যাবে না। কাউকে তাদের দায়িত্ব পালন না করে পালাতে দেওয়া যাবে না।”
বাংলা ভাষা ভারতের একটি সমৃদ্ধ ঐতিহ্য। সাহিত্য, সংস্কৃতি, সংবাদ, প্রশাসন, শিক্ষা প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে বাংলার অবদান অপরিসীম। কিন্তু এই ভাষার ব্যবহার ও (Supreme Court) প্রচার নিশ্চিত করতে গেলে সকল নাগরিককে সমান সুযোগ দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। প্রধান বিচারপতির মন্তব্যে এই বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত হয়েছে যে, ভাষার ক্ষেত্রে কেউ বঞ্চিত হবেন না। বাংলায় লেখার অধিকার শুধু একটি সাংস্কৃতিক বিষয় নয়, এটি নাগরিকদের মৌলিক অধিকার ও সমতার প্রতীক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে পিটিশনটি প্রধান বিচারপতির(Supreme Court) কাছে পেশ করেছিলেন, তার মাধ্যমে একটি গুরুতর সমস্যার দিকে আলোকপাত হয়েছে। অনেক সময় প্রশাসনিক জটিলতা, দফতরগুলোর মনোভাব বা ব্যক্তিগত বৈষম্যজনিত কারণে নাগরিকরা তাদের অধিকার ও দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারছেন না। প্রধান বিচারপতির বক্তব্য অনুযায়ী, কাউকে দায়িত্ব পালন না করে পালাতে দেওয়া হবে না। এটি বোঝায় যে, সমাজে ন্যায় ও দায়িত্ববোধকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

