নদিয়া: তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে (Mahua Moitra) কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো ভুয়ো চ্যাট নিয়ে তৈরি হওয়া মামলার তদন্তে রাজ্যের পুলিশ দল উত্তরপ্রদেশের নয়ডা পৌঁছেছিল। কিন্তু সেখানে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে না পারায় ঘটনাটি রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বিতর্কে পরিণত হয়েছে। ঘটনাটি শুরু হয় কয়েক দিন আগে, যখন একটি স্ক্রিনশট সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়।
তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra) ও ভোটকৌশলজ্ঞ প্রশান্ত কিশোরের ব্যক্তিগত কথোপকথন, যা ‘লাভ চ্যাট’ নামে পরিচিত হয়ে ওঠে। যদিও ভাইরাল হওয়া চ্যাটের সত্যতা স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করা হয়নি, তবুও গুরুতর রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।এরপর মহুয়া মৈত্র নদিয়ার কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন এবং অভিযোগটি ভিত্তিতে একটি এফআইআর রুজু হয়। ফরেনসিক পরীক্ষায় ওই চ্যাট মনগড়া এবং জাল বলে প্রাথমিকভাবে পাওয়া গিয়েছে বলে জানিয়েছে তদন্তকারী পুলিশ। অভিযুক্ত সুরজিৎ দাশগুপ্ত নামে এক ব্যক্তি তাঁর এক্স (X) হ্যান্ডেলে ওই স্ক্রিনশট পোস্ট করে এবং তাঁর পোস্ট রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ছড়ানো হয়েছে বলে পুলিশ দাবি করেছে। এরপর ৭ ফেব্রুয়ারি তদন্তে নোটিস প্রদান এবং ৯ ফেব্রুয়ারি হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হলেও অভিযুক্ত উপস্থিত হননি। পরে আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে।
রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের নির্দেশে গ্রেফতার না করার হুকুম এসেছে এবং স্থানীয়ভাবে অভিযুক্তকে ধরার প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত হয়েছে। রাজ্য দলের দাবি অনুযায়ী, স্থানীয় নয়ডা পুলিশ সহযোগিতা না করে উল্টো তাঁদেরকে আটকে রাখে এবং গ্রেফতারির সময় দেয়নি, ফলে অভিযুক্ত পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।



















