বুধবার সকালেই বারামতিতে বিমান দুর্ঘটনায় মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ারের মৃত্যুর ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা রাজনৈতিক মহলে। এই দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা পাঁচ, যার মধ্যে ছিলেন পাইলটও। দুর্ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee ) সোশ্যাল মিডিয়ায় উপ-মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি যাঁরা মারা গিয়েছে তাঁদেরপরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ ও যথাযথ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এমন দুঃখজনক ঘটনা যেন পুনরায় ঘটতে না পারে, সেজন্য সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা অত্যাবশ্যক।
ঘটনাস্থল বারামতির পাহাড়ি এলাকা, যা সকাল থেকেই ঘন কুয়াশায় ঢেকে ছিল। এমন পরিস্থিতিতে যেকোনো বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে আবহাওয়া সম্পর্কে সঠিক ও আগাম তথ্য থাকা জরুরি, বিশেষ করে যখন যাত্রীরা রাজ্যের উচ্চপদস্থ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তবু প্রশ্ন উঠছে, কেন এমন পরিস্থিতিতেও বিমানটি উড্ডয়ন অনুমোদন পেয়েছিল। জানা যায়, সকাল থেকে ওই এলাকায় দৃশ্যমানতা প্রায় শূন্যের(Mamata Banerjee ) কোঠায় পৌঁছেছিল, যা বিমান চলাচলের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
যদিও ইঞ্জিনিয়াররা উড়ানের প্রযুক্তিগত দিক পরীক্ষা করেন, এবং সব ঠিক থাকলে “গ্রিন সিগন্যাল” দেওয়া হয়। ভিভিআইপি যাত্রার ক্ষেত্রে, যেমন মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী যাত্রা করছেন, এই পরীক্ষা আরও কঠোর হয় এবং নিরাপত্তার সব বিধি অনুসরণ করা হয়। তাই এই দুর্ঘটনার পেছনে প্রকৌশলগত কোনো ফাঁক বা অনুমোদনের ত্রুটি আছে কি না, তা এখন জল্পনার কেন্দ্রবিন্দু। তবে বারামতির পাহাড়ি এলাকা ও কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়া এই দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সাধারণ পরিস্থিতিতেও এই এলাকায় বিমান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ।




















