
কমিশনের আইনজীবীদের বক্তব্যের উত্তরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া নতুন করে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিতর্ককে তীব্র করে তুলেছে। (Supreme Court) তিনি বলেছেন, “আমার বিরোধী পক্ষের আইনজীবীরা যা বলছেন সব সত্য নয়। আমরা এদের সহযোগিতা করেছি। যা চেয়েছে, দিয়েছি। প্রথম পর্বে ৫৮ লাখ, পরের পর্বে ১ কোটি ৩৬ লাখ লোককে বাদ দেওয়া হচ্ছে। লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি তালিকা বাতিল করা হোক। আদালত অবমাননা করেছে নির্বাচন কমিশন। বাংলার আমজনতার অধিকার রক্ষা করুন। গণতন্ত্রকে রক্ষা করুন।” এই মন্তব্য একদিকে আদালত ও কমিশনের নীতিমালা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি বাংলার সাধারণ মানুষকে সুরক্ষার আহ্বানও বহন করছে।
বাংলার জনতার স্বার্থ রক্ষা করা শুধু রাজনৈতিক ইস্যু নয়, এটি সামাজিক ও সাংবিধানিক দৃষ্টিকোণ থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে যে, যারা জনগণের ভোটাধিকার হরণ করছে, তারা শুধু আইনগত দিক থেকে নয়, নৈতিকভাবে ও গণতান্ত্রিক দিক থেকেও দায়ী। তিনি নির্বাচন কমিশন ও আদালতকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন যে, “আদালত অবমাননা করেছে নির্বাচন কমিশন।” এটি বোঝায় যে, সাধারণ নাগরিকের অধিকার রক্ষা ও নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা উচিত।

