সংসদে বসেই সুখটান! তৃণমূল সাংসদের ভিডিও ভাইরাল

নয়াদিল্লি: লোকসভার শীতকালীন অধিবেশনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে ই-সিগারেট (Lok Sabha vaping controversy)বা ভেপিংয়ের অভিযোগ। বিজেপি সাংসদ অনুরাগ ঠাকুর সরাসরি অভিযোগ তুলেছেন যে, তৃণমূল কংগ্রেসের…

lok-sabha-vaping-controversy-anurag-thakur

নয়াদিল্লি: লোকসভার শীতকালীন অধিবেশনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে ই-সিগারেট (Lok Sabha vaping controversy)বা ভেপিংয়ের অভিযোগ। বিজেপি সাংসদ অনুরাগ ঠাকুর সরাসরি অভিযোগ তুলেছেন যে, তৃণমূল কংগ্রেসের এক সাংসদ সংসদের অন্দরে বসে ই-সিগারেট সেবন করছেন। হাতের তালুতে লুকিয়ে ভেপ টানার এই দৃশ্য দেখে ক্ষুব্ধ অনুরাগ লোকসভার স্পিকার ওম বিরলার কাছে লিখিত অভিযোগও দায়ের করেছেন।

   

যদিও তিনি কোনও নাম উল্লেখ করেননি, রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা চলছে যে অভিযোগের তির তৃণমূলের প্রাক্তন ক্রিকেটার সাংসদ কীর্তি আজাদের দিকে। এবং এই অভিযোগের সপক্ষে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে যাতে সংসদে বসেই ধূমপান করতে দেখা যাচ্ছেই কীর্তিকে।

পাহাড়ে নিয়োগ দুর্নীতি তে কড়া সিদ্ধান্ত আদালতের

এই ঘটনা সংসদের মর্যাদা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে এবং তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে তাঁর সাংসদের আচরণ নিয়ে স্পষ্টীকরণের দাবি উঠেছে।বৃহস্পতিবার প্রশ্নোত্তর কালে হঠাৎই উঠে দাঁড়ান অনুরাগ ঠাকুর। স্পিকারকে উদ্দেশ করে বলেন, “দেশজুড়ে ই-সিগারেট নিষিদ্ধ।

কিন্তু সংসদে কি এর অনুমতি দেওয়া হয়েছে? গত কয়েকদিন ধরে এক তৃণমূল সাংসদ বসে বসে ই-সিগারেট টানছেন।” এই অভিযোগে সভাকক্ষে হইচই পড়ে যায়। বিজেপি সাংসদরা সমর্থন করে উঠলে সংক্ষিপ্ত বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। স্পিকার ওম বিরলা স্পষ্ট জানান, সংসদে ধূমপান বা ই-সিগারেট সেবন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। যদি কোনও লিখিত অভিযোগ আসে, তাহলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পরদিনই অনুরাগ লিখিত অভিযোগ জমা দেন। তাতে বলা হয়েছে, “তৃণমূল কংগ্রেসের এক সাংসদ সভাকক্ষে বসে প্রকাশ্যে ই-সিগারেট ব্যবহার করছেন। এটা সংসদীয় মর্যাদার লঙ্ঘন এবং ২০১৯ সালের নিষিদ্ধ আইনের অধীনে অপরাধ।” ২০১৯ সালে ভারতে ই-সিগারেটের উৎপাদন, বিক্রি, আমদানি এবং ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সংসদ ভবন তো বটেই, পাবলিক প্লেসে ধূমপানও নিষিদ্ধ।

এই প্রেক্ষাপটে অনুরাগের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। তিনি বলেন, এটা শুধু নিয়ম ভাঙা নয়, যুবসমাজের কাছে খারাপ বার্তা পাঠানো। সংসদের মতো পবিত্র স্থানে এমন আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। বিজেপির অন্য নেতারা, যেমন গিরিরাজ সিং এবং গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত, এই ঘটনাকে সংসদের মর্যাদাহানি বলে সমালোচনা করেছেন।