শুভেন্দুর জন্য আদালতে নয়া চ্যালেঞ্জ, ‘রক্ষাকবচ’ সরালেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত

কলকাতা, ২৪ অক্টোবর: কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের বেঞ্চ শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের পূর্ববর্তী নির্দেশনা মেনে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারির (Suvendu Adhikari) দেওয়া ‘রক্ষাকবচ’ প্রত্যাহার করেছেন। বিচারপতি রাজাশেখর ...

By Suparna Parui

Published:

Follow Us
Court Pulls Suvendu Adhikari’s Protection, 5 Cases Referred to Joint SIT

কলকাতা, ২৪ অক্টোবর: কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের বেঞ্চ শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের পূর্ববর্তী নির্দেশনা মেনে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারির (Suvendu Adhikari) দেওয়া ‘রক্ষাকবচ’ প্রত্যাহার করেছেন। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার দেওয়া এই বিশেষ সুরক্ষা আপাতত আর থাকবে না, ফলে শুভেন্দুর জন্য আদালতের মাধ্যমে আর কোনও অতিরিক্ত নিরাপত্তা নেই।

আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি শুভেন্দুর রাজনৈতিক অবস্থানকে নতুনভাবে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। আদালতের এই সিদ্ধান্তের পর শুভেন্দুর নিরাপত্তা এখন শুধুমাত্র সাধারণ প্রটোকল ও পুলিশ নজরদারির উপর নির্ভর করবে। ইতিমধ্যেই রাজ্য রাজনীতির বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পরিস্থিতি শুভেন্দুর জন্য অস্বস্তিকর হতে পারে, বিশেষ করে নির্বাচনী মরশুম ও রাজনৈতিক চাপের সময়।

   

এছাড়াও, আদালত মানিকতলা এবং অন্যান্য তিনটি মামলার জন্য সিবিআই এবং রাজ্যের যুগ্ম SIT গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। মোট চারটি মামলার তদন্ত এখন যৌথভাবে পরিচালিত হবে। এই নির্দেশের ফলে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে তদন্ত আরও নিবিড় এবং সুসংগঠিতভাবে হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও সাংবাদিকরা বলছেন, আদালতের এই পদক্ষেপ রাজ্য রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে। কারণ শুভেন্দু অধিকারি শুধুমাত্র রাজ্য পর্যায়ে নয়, দেশের রাজনৈতিক দিক থেকেও একটি গুরুত্বপূর্ণ নেতা। যেকোনও বড় মামলার তদন্তে তার পক্ষে আর কোন অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় রাজনৈতিক এবং সামাজিক পর্যায়ে তার অবস্থান দুর্বল হতে পারে।

সিবিআই এবং যুগ্ম SIT-এর মাধ্যমে চারটি মামলার তদন্ত আরও গতিশীল ও স্বচ্ছ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। মানিকতলা মামলা, যা ইতিমধ্যেই রাজ্য রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান গ্রহণ করেছে, সেটিও এই তদন্তের অন্তর্ভুক্ত। ফলে রাজনৈতিক মহলে এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে এই বিষয়টি ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে।

অন্যদিকে, শুভেন্দু অধিকারির আইনজীবীরা আদালতের রায়ের পর সাংবাদিকদের জানান, তারা সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। আইনজীবীরা আশা প্রকাশ করেছেন, এই পরিস্থিতি সত্ত্বেও তাদের ক্লায়েন্টের স্বার্থ সুরক্ষিত থাকবে এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Suparna Parui

হাতেখড়ি চ্যানেলে। খবরের গন্ধ শনাক্ত করার কৌশল শেখা সেখান থেকেই। তারপর ৬ বছর ধরে বিনোদন রাজনীতির খবরের ব্যবচ্ছেদ করে চলেছি। খবর শুধু পেশা নয়, একমাত্র নেশাও বটে।কাজের পাশাপাশি সিনেমা দেখতে, গান শুনতে, বেড়াতে যেতে খুব ভালোলাগে। তাই সময় সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ি নতুন অ্যাডভেঞ্চারের উদ্দেশ্যে।

Follow on Google